ঈদকে সামনে রেখে সারাদেশে জামায়াতি ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতারে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি জনাব হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন,
বান্দরবান জেলার লামা উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবদুল মুনায়েমসহ দুইজন কর্মীকে, ঝিনাইদহ শহর জামায়াতের আমীর জনাব জহুরুল ইসলামসহ ৩জন নেতা-কর্মীকে, সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা মফিদুল ইসলামসহ ২জন কর্মীকে, রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলায় ১জন কর্মীকে ও গংগাচড়া উপজেলায় ১জন কর্মীকে এবং রাজশাহীর মতিহার থানায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের ১জন সদস্যকে গত ৭ সেপ্টেম্বর পুলিশের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার জাতির ঘাড়ে একদলীয় স্বৈরশাসন চাপিয়ে দিয়ে তা দীর্ঘায়িত করার অপকৌশল। আমরা এই গণগ্রেফতারের তিব্র নিন্দা জানাই।
আজ বৃহষ্পতিবার প্রদত্ত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “রাজনৈতিকভাবে হয়রানী করার উদ্দেশ্যেই বান্দরবান, ঝিনাইদা, সাতক্ষীরা, রংপুর এবং রাজশাহীতে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরে নেতা-কর্মীদের পুলিশ অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করেছে।
ঈদকে সামনে রেখে অমানবিকভাবে সারা দেশে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের পুলিশ অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে কারাগারে বন্দী রেখে কষ্ট দিচ্ছে সরকার।
জাতির ঘাড়ে একদলীয় স্বৈরশাসন চাপিয়ে দিয়ে তা দীর্ঘায়িত করার জন্য সরকার জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠাচ্ছে।
জনগণের উপর এভাবে জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে স্বৈরশাসন দীর্ঘায়িত করা যাবে না।
গ্রেফতার ও জুলুম-নির্যাতন বন্ধ করে লামা উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবদুল মুনায়েম, ঝিনাইদা শহর জামায়াতের আমীর জনাব জহুরুল ইসলাম এবং তালা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা মফিদুল ইসলামসহ সারা দেশে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের গ্রেফতারকৃত সকল নেতা-কর্মীকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।”
এসএম





