তারেক রহমানই গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার সুফল ফিরিয়ে দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান। তিনি বলেন, আ’লীগ যাতে নির্বিঘ্নে লুটপাট আর রামরাজত্ব কায়েম করতে পারে, দেশের সম্পদ লুন্ঠন করতে সে লক্ষ্য হাসিলেই তারেক রহমানকে দেশে আসতে দেয়া হচ্ছে না।
শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বন্ধু দল আয়োজিত ‘বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জননেতা তারেক রহমানের ৫২তম জন্মদিন উপলক্ষে সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় তারেক রহমানের ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নোমান বলেন, আজ যার জন্মদিবস পালন আমরা করছি তিনি আজ দেশে নেই। কারণ তিনি এখনও সুস্থ্য নয়। তাকে রাজনৈতিকভাবে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল তৎকালীন সরকার। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি বেঁচে আছেন। তিনি বলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক জীবন শুরু বগুড়া মডেল কলেজ থেকে।
একটি রাজনৈতিক দল কিভাবে গণতান্ত্রিক পথে যাত্রা শুরু করতে পারে তার উপর তারেক রহমান গবেষণা শুরু করেছিলেন। দলকে কিভাবে শক্তিশালী করতে হয় সে ধারণা পেতে তিনি তার সুযোগ্য পিতা জিয়াউর রহমানের আদর্শকে অনুসরণ করছেন। সেই আদর্শকে অনুসরণ করেই তিনি সামনের দিকে অগ্রসর হয়েছিলেন এবং সফলতাও লাভ করেছেন।
তিনি জিয়াউর রহমান অথবা খালেদা জিয়ার সন্তান হিসেবে বা শেখ হাসিনার সন্তান জয়ের মত করে রাজনীতিতে পদার্পণ করেন নাই। তিনি একজন যোগ্য নেতার মতই রাজনীতিতে আগমন করেছিলেন। শুধু সংগঠন বা রাজনীতি দিয়ে কিছু আদায় করা যায় না বা জয়ীও হওয়া যায় না। জয়ী হতে হলে এই দুইয়ের সমন্বয়ের প্রয়োজন। এক্ষেত্রে তারেক রহমানের মেধা, প্রজ্ঞা আর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অসীম। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সাংগঠনিক প্রতিভা আজ আর বাংলাদেশে নেই।
রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে তিনি বলেন, আজ পত্রিকার পাতা খুললেই দেখা যায় তাদেরকে কি অমানবিকভাবে নির্যাতন, নিপীড়ন করে তাদেরকে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে। যুবতী কন্যাদের ধর্ষণ করা হচ্ছে। পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশী দেশ হিসেবে আমাদের সরকার কি করছে? দেশে যদি আজ গণতান্ত্রিক সরকার থাকতো তাহলে এর প্রতিবাদ করতো। কিন্তু এই দালাল তাবেদারী সরকার এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারছে না। মহান মুক্তিযুদ্ধেও প্রতিবেশী রাষ্ট্র আমাদেরকে শরণার্থী হিসেবে তাদের দেশে আশ্রয় দিয়েছিল। আমরা আজ সেটাও করতে পারছি না।
বন্ধু দলের সভাপতি শরীফ মোস্তফাজামান লিটু’র সভাপতিত্বে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি. এইচ.এম আমিনুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল খান, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহামুদ আহমেদ জিয়া, সিনিয়র সহ সভাপতি মোস্তফা হাম্মাদুর রহমান, সহ সভাপতি খবিরউদ্দিন রেজা, ইঞ্জি. জসীম উদ্দিন সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হানিফ মজুমদার, সহ সাধারণ সম্পাদক কাউসার হামিদ, প্রচার সম্পাদক মাস্টার আব্দুস সোবাহান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক এ.জেড কাওসার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা জাহানারা বেগম, বিশেষ সম্পাদক মোঃ কাওসার আহমেদ, কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ মিল্টন প্রমুখ।
এআই





