বিদেশি কূটনীতিকরা সরকার এবং খালেদা জিয়ার মধ্যে আলোচনার যে কথা বলেছেন তা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ সেলিম।

তার মতে, হুঁ ইজ খালেদা জিয়া। তিনি সরকারেও নেই বিরোধী দলেও নেই। তার সঙ্গে কোন আলোচনা হতে পারে না।

সোমবার সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন শেখ সেলিম। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের জন্মদাতা। তার আশ্রয় প্রশ্রয়ে দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান হয়েছে । দেশে নারকীয় পরিবেশ তৈরি করেছেন। দেশের মানুষকে অশান্তিতে রেখেছেন। দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। তার সঙ্গে কোন আলোচনা হতে পারে না।

তিনি একের পর এক মানুষ হত্যা করে দেশে অস্থির অবস্থা সৃষ্টি করেছেন। যারা লাশের ওপর লাশ ফেলে ক্ষমতায় যেতে চায় তাদের সঙ্গে কোন আলোচনা হতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কখনই ওই জঙ্গি খুনিদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারেন না। বসবেন না।

খালেদা জিয়া আগে ছিলেন তালেবান এখন তিনি আইএস নেত্রী হয়েছেন। আইএস যেমন গলা কেটে মানুষ খুন করে চলেছেন। খালেদা জিয়াও তেমনি পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করে চলেছেন।

বিদেশীদের বাংলাদেশ নিয়ে মাথা না ঘামাতে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন শেখ সেলিম। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেছেন, বাংলাদেশের সমস্যা বাংলাদেশের মানুষই সমাধান করবে। বিদেশিরা অযথা নাক গলাবেন না। যদি অযাচিত হস্তক্ষেপ করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে।

তিনি বিদেশিদের হুঁশিয়ার করে বলেন,  হুঁ ইজ খালেদা জিয়া। তিনি সরকারেও নেই , বিরোধী দলেও নেই। তবে কার সঙ্গে তারা সরকারকে আলোচনা করার জন্য বলছেন। বিদেশিদের মনে রাখতে হবে যদি কূটনৈতিক শিষ্টাচার বর্হিভূত কোন কাজ করেন তাহলে সরকার ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন।

তিনি বলেন, যারা দেশে সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে মানুষ হত্যা করে চলেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশের সাধারণ মানুষকে পুড়িয়ে মেরে কেউ পার পাবে না।

শেখ সেলিম বলেন, অবৈধভাবে আর ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ নেই। যারা ওই চিন্তা করছেন তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। তৃতীয় শক্তি নামে আর কেউ কোন দিন ক্ষমতায় আসতে পারবে না। এখন থেকে প্রথম শক্তিই ক্ষমতায় থাকবে। 

তিনি বলেছেন, দেশের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার বন্ধ করতে হবে খালেদা জিয়াকে। তিনি যে ষড়যন্ত্র করছেন তা বন্ধ করতে হবে। নয়তো জনগণ এই ষড়যন্ত্রের দাঁত ভাঙা জবাব দেবে।

জেআই