জুমার খুৎবা-বয়ান, ওয়াজ মাহফিলে নজরদারির বিষয়ে সরকারের মন্ত্রী পরিষদের গৃহীত সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান আজ মঙ্গলবার (১২ জুলাই) প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “মন্ত্রী পরিষদে গৃহীত এ সিদ্ধান্তের কারণে গোটা জাতির সাথে আমরাও বিস্মিত এবং উদ্বিগ্ন।
জুমার খুৎবা-বয়ান, ওয়াজ মাহফিলে নজরদারির বিষয়ে সরকারের মন্ত্রী পরিষদে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে মূলতঃ এ দেশের আলেম সমাজের কণ্ঠ স্তব্ধ করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
সম্মানিত ওলামায়ে কেরাম মুসলিম উম্মাহর রূহানি অভিভাবক।
উম্মাহকে সঠিক পথে পরিচালনা করা, দেশ ও সমাজে সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি, জনগণকে নৈতিক শিক্ষা প্রদান, পারস্পরিক ভালবাসা-শ্রদ্ধা, দেশপ্রেম এবং জাতির প্রতি দায়িত্ববোধ সৃষ্টি করার জন্য ওলামায়ে কেরাম জুমার খুৎবা ও ওয়াজ নাছিহার মাধ্যমে জাতিকে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
বাংলাদেশের সংবিধানে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সরকার কর্তৃক আবার আলেম-ওলামার প্রদত্ত জুমার খুৎবা ও বক্তব্যের ওপর নজরদারি করার অর্থই হচ্ছে ধর্মীয় অধিকারের ওপর অগ্রহণযোগ্য ও আপত্তিকর হস্তক্ষেপ।
সরকারকে এ ধরনের বেআইনী হস্তক্ষেপ থেকে সরে আসতে হবে। এ দেশের ওলামায়ে-কেরাম ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ এ ধরনের হস্তক্ষেপ কখনো মেনে নিবে না।
জাতি যেখানে গভীর সঙ্কটে নিপতিত সেখানে ওলামায়ে কেরামকে তাদের ভূমিকা আরও জোরদার করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে উদ্বুদ্ধ করা উচিত এবং তারা যাতে স্বস্তির সাথে নির্দ্ধিতায়-নিসংকোচে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন- এ পরিবেশ সরকারকেই নিশ্চিত করতে হবে।”
ওএফ





