আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পদ্মা সেতুর স্প্যানের সঙ্গে ‘বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর ফেরি’র ধাক্কা লাগলেও এর আঘাতের কোনও ইমপ্যাক্ট (প্রভাব) খুঁজে পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, “পদ্মা সেতু বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় একটি প্রকল্প। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল। চলতি বছরের অক্টোবরে সেতুতে পিচ ঢালাই হবে। ইতোমধ্যে স্ল্যাব বসানোর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে কতগুলো ঘটনা ঘটেছে (পঞ্চমবাবের মতো), যা মানুষের মনে প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে। আমরা উদ্বিগ্ন যে, এখানে বারবার কেন ধাক্কা লাগে।”
ওবায়দুল কাদের বলেন, “আজকে যে বিষয়টি এসেছে সেখানে একটা টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, সেতুর স্প্যানের সঙ্গে বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর ফেরির ধাক্কা লেগেছে। এ খবর পাওয়া পর নিজে মাওয়া ছুটে আসি। বিআইডব্লিউটিএ, বিআইডব্লিউটিসি, সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্টরা যৌথভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্প্যানে কোনও আঘাতের ইমপ্যাক্ট খুঁজে পাননি। আমি এটা বলতে পারি, এখানে কোনও ড্যামেজ পাইনি।”
মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ১টায় পদ্মা সেতু পরিদর্শনে এসে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়া প্রান্তে ১ নম্বর পিলারের কাছে সাংবাদিকদের তিনি এইসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “পানির লেভেল থেকে স্প্যানের উচ্চতা ১৮.৩ মিটার। গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের হিসাব বিবেচনা করে ০.৫ মিটার বেশি রেখে উচ্চতা ১৮.৮ মিটার রাখা হয়েছে। এই ১৮.৮ মিটার ধরা হয়েছে যখন পানির স্তর সর্বোচ্চ ৭.৫ মিটার হবে। বর্তমানে নদীতে পানির উচ্চতা আছে ৬ মিটার। এখানে বাস্তবে দৃশ্যমান কিছু পাওয়া যায়নি। সরেজমিনে দেখা যায়নি আঘাতের চিহ্ন। যেহেতু টেলিভিশনে ভিডিও নিউজ প্রচার হয়েছে এর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিচ্ছি। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। সেতু বিভাগ, বিআইডব্লিউটিএ, বিআইডব্লিউটিসি, সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্টরা যৌথভাবে তদন্ত করবে।”
এমবি





