যে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল সরকারের পুলিশ বাহিনী ঠিক করে সেই নির্বাচন কখনও নিরপেক্ষ হতে পারেনা বলে মন্তব্য করেন ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শওকত মাহমুদ।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এসোসিয়েশন অব ইনঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এ্যাব) আয়োজিত ‘স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র শীর্ষক’ আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহব্বায়ক রুহুল আমিন গাজী বলেন, বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীতে এমন কোন দেশ নেই যেখানে রাজধানী দুভাগে বিভক্ত। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মত ভূয়া এবং সাদেক হোসেন খোকাকে সরানোর জন্যই ঢাকাকে দু'ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।

রুহুল আমিন গাজী বলেন, আজ ২০ দলীয় জোটের কোন নেতাকর্মী নেই যাদের নামে মামল হয়নি। এমন সময় সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন দেওয়ার অর্থ হল হাত পা ভেদে কোন লোককে সাতরাতে বলা।

তিনি বলেন, যদি নির্বাচন দেয়ার এতোই ইচ্ছা থাকে তাহলে ক্ষমতার মায়া ত্যাগ করে সকল দলের অংশগ্রহণে একটি নির্বাচন দিয়ে প্রমান করুন কোন দলের প্রার্থী জিতে।

সরকারের সমালোচনা করে পেশাজীবী এই নেতা বলেন, তারা বলে ২০ দলীয় জোটের নাকি জনসমর্থন নেই। তাহলে ঢাকা শহরে একটি জনসমাবেশ করতে দিন যাতে আপনাদের অঘোষিত হরতাল থাকবেনা।

আর পুলিশ বাহিনী বাধা দেবেনা তখন দেখবেন সমস্থ ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে লোকে লোকারণ্য হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, হামলা মামলা গুম-হত্যা করে এই সরকার সাময়িক তৃপ্তি পেতে পারে কিন্তু কখনো স্থায়ী সমাধান পাবেনা। আজকে এই অবৈধ সরকার গণতন্ত্রকে এমন ভাবে ভুলন্ঠিত করেছে যেখানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল থাকবে কিন্তু রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও অফিস থাকবেনা।

বর্তামান সরকারের সময় ফুরিয়ে এসেছে উল্লেখ করে ভাষা সৈনিক ও কলামিস্ট সাদেক খান বলেন, জনগণের নিরব সমর্থনের কারনেই আজকে ২০ দলীয় জোটের হরতাল-অবরোধের ৭৫ দিন অতিবাহিত হচ্ছে। তাদের সমর্থন না থাকলে অবরোধ-হরতাল এতো দিন চালিয়ে যেতে পারতোনা।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি প্রকৌশলী আ.ন.হ আক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব এম এ আজিজ, ড্যাবের যুগ্ম-মহাসচিব রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, জাতীয় প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাদের গনি চেীধুরী প্রমুখ।

এমএ/এমকে