ঝিনাইদহে শিবির নেতাকে গ্রেপ্তারের পর বেআইনি ভাবে ৭ দিন গুম রেখে পুলিশের অস্ত্র উদ্ধার নাটকের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান ও সেক্রেটারী জেনারেল ইয়াছিন আরাফাত বলেন, গত ৪ জুলাই রাত সাড়ে ১২টায় নিজ বাসা থেকে ছাত্রশিবির ঝিনাইদহ সদর পৌর সভার ৬ নং ওয়ার্ড দায়িত্বশীল আকরাম হোসেনকে ৮/১০ জন সাদা পোষাকধারী ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। গ্রেপ্তারের পর তার পরিবার বার বার তাগিদ দিলেও তাকে যথা সময়ে আদালতে হাজির করা হয়নি।

আজ পরিকল্পিত ভাবে অস্ত্র উদ্ধারের মিথ্যা নাটক সাজিয়ে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেছেন, রোববার রাতে তাকে আটক করা হয়েছে এবং তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। যার পুরোটাই সাজানো নাটক এবং পরিকল্পিত মিথ্যাচার। বেআইনি কর্মকান্ডকে আড়াল করতেই অস্ত্র উদ্ধার নাটকের আশ্রয় নিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। আমরা এই বেআইনি গ্রেপ্তারের পর গুম ও অস্ত্র উদ্ধার নাটকের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

নেতৃবৃন্দ বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসা সরকার নিজেদের সীমাহীন ব্যার্থতাকে আড়াল করতেই বার বার নিরপরাধ ছাত্রদের জড়িয়ে নানা রকম নাটক সাজাচ্ছে। এই নির্মম তামাশার ফলে বহু ছাত্রের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। যা কোন ভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, এসব পুরোনো সাজানো নাটক জনগণ ধিক্কারের সাথে প্রত্যাখ্যান করে আসছে। অনতিবিলম্বে শিবির নেতা আকরাম হোসেনকে জড়িয়ে মিথ্যা নাটক ও মামলা প্রত্যাহার করে তাকে মুক্তির দাবী জানাচ্ছি। একই সাথে এমন অমানবিক কর্মকান্ড থেকে পুলিশ প্রশাসনকে বিরত থাকতে আহবান জানাচ্ছি।

নেতৃবৃন্দ ভবিষ্যতে এমন মিথ্যাচার, সাজানো নাটক ও অপপ্রচার থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহবান জানান।

ইআর