প্রচলিত শিক্ষানীতি বাতিল, বিয়ের নুন্যতম বয়স নির্দিষ্ট না করা, হরতাল-অবরোধের নামে জান-মাল পোড়ানোর বিরুদ্ধে আইন প্রণয়ন ও জামায়াত শিবির-নিষিদ্ধকরণসহ ১১ দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামালীগ।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামালীগও সমমনা ১৩ দল মানববন্ধনের আয়োজন করে।
মানব বন্ধনে বক্তারা বলেন, শিক্ষানীতি ২০১০ দ্বারা কৌশলে ইসলাম শিক্ষা বা ধর্ম শিক্ষা তুলে দেয়া হয়েছে । ধর্মীয় শিক্ষার নাম দেওয়া হয়েছে ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা। আর এতে করে বুঝানো হয়েছে, ইসলাম ধর্মের মধ্যে নৈতিকতা নেই, তাই আলাদাভাবে নৈতিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটা ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশকে ধর্মহীন করার আরেকটি কূটকৌশল।
বক্তারা বলেন , দ্বীন ইসলামকে কটাক্ষ করে লেখালেখি করে, এমন চিহ্নিত ইসলাম বিদ্বেষী লেখকদের লেখা পাঠ্য বইয়ে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। যা এদেশের মুসলমানদের কাছে কোন ক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়।
মাবনবন্ধনে পাঠ্যপুস্তকে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম; হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম, হযরত বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের জীবনী মুবারক অন্তর্বুক্ত করা, ইসলামের নামে ফায়দালোভী সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা, মুক্তমনা ও মুক্তচিন্তার নামে ইসলাম অবমাননাকারী নাস্তিকদের মৃত্যুদন্ডের আইন করাসহ ১১ দফা দাবী উপস্থাপন করা হয়।
বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামালীগের সভাপতি আলহাজ্জ মাওলানা আখতার হুসাইন বুখারীর সভাপতিত্বে মনববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামালীগের সাধাণ সম্পাদক আলহাজ্জ আবুল হাসান শেখ, হাফেজ মাওলানা মোহম্মদ আব্দুস সাত্তার প্রমুখ।
এমএ/এমকে





