খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোটেক কামরুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমানে আমরা ’৭১ এর চেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধে লিপ্ত আছি। একাত্তর সালে আমরা যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি। এখনও তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার আলমগীর কুমকুমের ৭২তম জম্মবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বুদ্ধিজীবীদের ছি! বলে ধিক্কার জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা আলোচনার করতে বলেন, ভালো কথা। এর আগে সন্ত্রাসীর নেত্রীকে (খালোদা জিয়া) নিভৃত্ব করুন।সারাদেশের আগুন নিভাতে বলুন। তারপর অন্য কথা বলুন। কোন সন্ত্রাসীদের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে না।

তিনি বলেন, জঙ্গি ও আইএসয়ের সঙ্গে যেমন আলোচনা হয় না, তেমনি তাদের সঙ্গে কানেকশনকারীদের সঙ্গেও আলোচনা হতে পারে না। এদেরকে সর্বশক্তি দিয়ে নির্মূল করতে হবে। যেটা বর্তমান সরকার করতে যাচ্ছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দেশে শান্তি ফিরে আসবে।

'সন্ত্রাসীরা কোন দলের নয়’ মঙ্গলবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ বার্ণ ইউনিট পরিদর্শনে এসে লে. জে মাহবুবুর রহমানের এমন বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, আমি এখনও বিশ্বাস করি বিএনপিতে এখনও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের অনেক লোক রয়েছে।

আর মাহবুবুর রহমানের এই বক্তব্য যদি সত্য হয়। তাহলে তাদেরকে বলব, খালেদা-তারেককে পরিত্যাগ করে বেরিয়ে আসুন। তাহলে উনারা বাঁচবেন, বিএনপি বাঁচবে এবং মানুষ আপনাদের ভালো বলবে।

সংগঠনের সহ-সভাপতি বিশিষ্ট অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা প্রমুখ।

এমআর/ এআর