নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে একজন নারীকে বিবস্ত্র করে পাশবিক নির্যাতনের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
৫ অক্টোবর প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “গত ২ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে একজন নরীকে পাশবিক নির্যাতন ও বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করার রোমহর্ষক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এক মাস যাবত উক্ত নারীকে অনৈতিক কর্মকা-ে রাজি করাতে না পেরে এ বর্বর ও পাশবিক ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ধর্ষণকারীগণ প্রভাবশালী হওয়ায় ঘটনা সংঘটিত হওয়ার পর নির্যাতনের শিকার পরিবারটি মামলা করারও সাহস পায়নি। ধর্ষণকারীদের অব্যাহত হুমকিতে তারা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেরাতে বাধ্য হয়। দেশে আইনের শাসন ও বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে এ ধরনের রোমহর্ষক ঘটনা ঘটেই চলছে।
তিনি বলেন, উপরের পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, দেশে এক ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে! বাস, ট্রেন, লঞ্চ, অফিস, বাসা-বাড়ি, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা কোথাও আজ নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নেই। সারা দেশে যে অবস্থা বিরাজ করছে তার খণ্ডিতাংশই সংবাদপত্রে ও মিডিয়ায় প্রকাশিত হচ্ছে। বাস্তব অবস্থা আরো ভয়াবহ।
তিনি বলেন, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনার সাথে সরকারি দল বিশেষ করে ছাত্রলীগ জড়িত। সরকারি দলের আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে এবং গডফাদারদের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় বেশির ভাগ ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। সিলেটের ধর্ষণের ঘটনার পর নোয়াখালীর নারী নির্যাতনের ঘটনা প্রমাণ করে বর্তমান সরকারের নিকট নারীর সম্মান ও ইজ্জতের কোনোই মূল্য ও নিরাপত্তা নেই।
তিনি বলেন, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জসহ সারা দেশে ধর্ষণের ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তি ও তাদের গডফাদারদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এমআর





