জনগণকে নিরাপত্তা দিতে না পারলে এই সরকারের জোর করে ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।
বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার দক্ষিণ সোহাগ পাড়ায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, চারজনকে পেট্রোল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। তার বিচার হবে না এমনটা হতে পারে না। ঘরের দরজা বন্ধ করে এভাবে মানুষকে পুড়িয়ে মেরে ফেলা হবে জানলে আমি মুক্তিযুদ্ধ করতাম না।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্যকরে তিনি বলেন, আপনার বাবার জন্য ১৮ বছর নির্বাসনে কাটিয়েছি।২৮ বছর মাংস মুখেদেইনি। আপনি দুনিয়া জয় করতে পারেন, সমুদ্র জয় করতে পারেন। ঘরের ভেতরেপেট্রোল ঢেলে মানুষ হত্যা করা হয়। এর বিচারও আপনাকেই করতে হবে।
তিনিআরও বলেন, পাকিস্তানি হানাদারদের ঘরবাড়ি জ্বালাতে দেখেছি, তারা ছনের ঘরে আগুন দিয়ে নিরীহ মানুষ হত্যা করেছে। সরকার বলছে আইনশৃঙ্খলাসহ সবই ঠিক আছে। যে দেশে ঘরের ভেতরেও মানুষ নিরাপদ নয়, সে দেশে আইনশৃঙ্খলা কিভাবে ঠিক থাকে।
তিনি বলেন, আমি মরে গেলে আমার সন্তানের জীবন নিরাপদ থাকবে না এমনটা হতে পারে না। দেশে যদি সুশাসন না থাকে তবে শক্র-মিত্র কারও জীবনই নিরাপদ নয়।
পরে তিনি নিহত হাসনা বেগম ও তার তিন মেয়েসোহাগ পাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী মনিরা আক্তার (১৫), বাকপ্রতিবন্ধী মিম (১২) ও মলির (৮) কবর জিয়ারত করেন।
এসময় তার সঙ্গে ছিলেন-তার স্ত্রী কৃষকশ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী নাসরিন সিদ্দিকী, জেলা কৃষক শ্রমিকজনতা লীগের সভাপতি আব্দুল হাই, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় সোমবার গভীররাতে জাহাঙ্গীর ও তার সঙ্গীরাঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসনা বেগম ও তারমেয়ে মনিরা, মীম ও মলি মারা যায়।
এমআর





