বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর অনুমতি দেয়া সরকারের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। এখানে আদালতের কোনো ভূমিকা নেই, এটা সম্পূর্ণ প্রশাসনিক আদেশ।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সাজা যে স্থগিত করা হয়েছে সেটাও সম্পূর্ণ প্রশাসনিক আদেশ। সেখানে আদালতের কোনো ভূমিকা নেই।
খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আমি আশা করব এ অবস্থায় অযাথা সময় ক্ষেপন করে তার জীবনের ঝুঁকি না বাড়িয়ে, সরকার অবিলম্বে সুচিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে যেতে দেওয়া উচিৎ। এক্ষেত্রে আইনগত কোনো বাধা নেই।
বুধবার (০৫ মে) এক ভার্চুয়াল ব্রিফিয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবী প্যানেলের অন্যতম সদস্য প্রবীণ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন এই দাবি জানান।
খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ফৌজদারী কার্যবিধি ৪০১(১) ধারা মোতাবেক সরকার যে কোনো আসামীর সাজা মৌকুফ বা সাজা স্থগিত করতে পারে। বেগম খালেদা জিয়াকে যখন মুক্তি দেয়া হয় তখন শর্ত দেওয়া হয়েছিল তিনি বিদেশে যেতে পারেবন না। কিন্তু এখন এ অবস্থায় সরকারের মানবিক দায়িত্ব, নৈতিক দায়িত্ব দেশের সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, বর্তমানে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়া উচিৎ। এখানে কোনো দরখাস্ত ছাড়াই সরকার অনুমুত দিতে পারে।
এর আগে মঙ্গলবার বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর অনুমতির বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ফৌজদারী কার্যবিধি ৪০১ ধারার উপধারা-২ অনুযায়ী সরকার খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়েছে। এখন এটা (বিদেশ নিতে) করতে গেলে আদালতে আসতে হবে। আমার তো তাই মনে হয়। তারপরও আমি না দেখে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। তিনি বলেন, উনার (খালেদা জিয়া) চিকিৎসা কতটুকু প্রয়োজন। তা বাংলাদেশে আছে কি-না, সবকিছু দেখে সরকার বিষয়টি বিবেচনা করবে।
এমবি





