বিএনপির দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভী বলেছেন, শান্তিপূর্ণ ও দেশের স্বার্থে তিস্তা অভিমুখে বিএনপির লং মার্চ কর্মসূচি। এই কর্মসূচিতে সরকার বাধা দিলে তার বিচার জনগণ করবে।
শুক্রবার বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টন দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘এবি সিদ্দিককে অপহরনের সঙ্গে কারা জড়িত সরকার কখনই এর জবাব দেবে না। কারন ক্ষমতাসীনরা জনগনের কাছে জবাবদিহিতা অসম্মানজনক মনে করে। যেমন প্রধানমন্ত্রী ওয়াদা করার পরও ইলিয়াস আলীর গুমের সন্ধান দিতে পারেনি।’
বাংলাদেশকে একটি আশ্রিত রাষ্ট্রে পরিনত করার চেষ্টা করা হচ্ছে-অভিযোগ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘জাতীয় স্বার্বভৌমত্বকে লঙ্ঘন করে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এদেশ থেকে লোক ধরে নিয়ে যায়। ভিন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই হোক বা অন্য সংস্থার লোক হোক তাদের গ্রেফতার ও শাস্তির জন্য দেশে প্রচলিত আইন আছে। কিন্তু ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এসব বিষয় তোয়াক্কা করছে না।
রিজভী আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘২০১০ সালে শেখ হাসিনার দিল্লী সফরের সময়ে ৫০ দফ যৌথ ঘোষনাপত্র সইয়ের মাধ্যমে মূলত: দেশের জাতীয় স্বার্থ ভারতের কাছে বিকিয়ে দেয়ারই কোনো নমুনা কী-না তা নিয়ে জনমনে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।’
২২ মার্চ তিস্তা অভিমূখে লংমার্চকে কেন্দ্র করে উত্তরাঞ্চলে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে জানিয়ে দেশের জনগণকে এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান রিজভী আহমেদ।
তিনি আরও বলেন, যারা এদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হোক এটা চায়। তারা তো নাশকতার  কথা বলবেন। পানি আটকে দিলে পরিবেশ বিপন্ন হলে তাদের কি বা আসে যায়। তাদের লক্ষ্য তো প্রভুর স্বার্থ রক্ষা করা।
দেশে ঠগীদের শাসন চলছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, তাদের মত বর্তমানে চারদিকে অবৈধ কর্মকান্ড করার ভয়ঙ্কর নেটওর্য়াক গড়ে তুলেছে। ঠগিদের মত সময়ে যেমন পথচারী, ব্যবসায়ীসহ পেশার কাজে ভ্রমনরত নানা স্তরের সাধারণ মানুষকে কৌশলে নিজেদের আওতায় নিয়ে অদৃশ্য করে দিতো। এখন ঠিক সেই পদ্ধতিই বিরাজ করছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ হোসেন তালুকদার, সহ দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহিন, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ।
[b]ঢাকা, এমএইচ, ১৮ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)//এএইচ
[/b]