এলাকাবাসী জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা ফরিদ আহম্মেদ চৌধুরী অসুস্থ। তার সুস্থতা কামনায় রূপদিয়া বাজারে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে যুবলীগ। কিন্তু নরেন্দ্রপুর ইউপি চেয়ারম্যান রাজু আহম্মেদকে অনুষ্ঠানে দাওয়াত না করায় তিনি ক্ষিপ্ত হন।

দোয়া অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান রাজু আহম্মেদ ৩০-৪০ জন সহযোগী নিয়ে সেখানে যান। তাকে কেন দাওয়াত দেয়া হয়নি বলে যুবলীগের আহ্বায়ক প্রভাষক আল মাহমুদকে প্রথমে গালিগালাজ করেন। এমনকি চেয়ার ছুড়ে তাকেসহ অন্যদের মারধর করেন। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন দোয়া অনুষ্ঠানে আসা লোকজন।

এক পর্যায়ে অনুষ্ঠানটি পণ্ড করে দেন চেয়ারম্যান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে হাজির হয়। পুলিশের উপস্থিতিতে আবারও দোয়া হয়।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক প্রভাষক আল মাহমুদ বলেন, দাওয়াত না দেয়ায় অনুষ্ঠান পণ্ড করে দিয়েছিলেন রাজু আহম্মেদ। এছাড়া চেয়ার ছুড়ে লোকজনদের মারধরও করেন। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে দোয়া অনুষ্ঠান হয়।

তবে হামলার বিষয়টি মিথ্যা দাবি করেছেন চেয়ারম্যান রাজু আহম্মেদ। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ওখানে যেয়ে আমি প্রশ্ন করি আমাকে কেন দাওয়াত দেয়া হয়নি। এরপর অনুষ্ঠানে এক নেতা আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। পরে আমার কর্মীরা অনুষ্ঠানে রুখে দেয়, তবে কেউ হামলা করেনি। হামলার বিষয়টি মিথ্যা।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এনএইচ