যতদিন পর্যন্ত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আত্মপক্ষ সমর্থনমূলক বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা থাকবে ততদিন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে কিংবা করলে তা প্রচার ও প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহবান জানিয়েছে বিএনপি। একইসঙ্গে তিনি বলেন, এটা আমাদের নীতি ও নৈতিকতার প্রশ্ন। আশা করি, গণমাধ্যমগুলো নীতি ও নৈতিকতার প্রশ্নে আপোষ করবেন না।

বৃহস্পতিবার বিকালে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এই আহবান জানান।

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, আপনার তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচার করতে পারেন না। সরকার প্রধান থেকে শুরু করে ক্ষমতাশীন দলের মন্ত্রীরা ও জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতকর্মীরা প্রতিনিয়ত তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করছে, মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। যা দেশের বিভিন্ন পত্রিকায় নিয়মিত ছাপা হচ্ছে। ইলেক্ট্রনিক্স মিয়ায়ার প্রচারিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, অথচ উপরোক্ত বক্তব্যের জবাব দেয়ার মৌলিক অধিকার তারেক রহমানের নেই। দেশের এজন সন্মানিত নাগরিককে এমন একতরফা নিন্দা ও অপবাদের অসহার স্বীকার করার দৃষ্টান্ত বিশ্বের আর কোথাও নেই।

বিএনপির এই জৈষ্ঠ্য নেতা বলেন, তারেক রহমান জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক রাজনীতি বিশ্বাস করেন। তাই আওয়ামী লীগের আন্দোলনের ফসল তথাকথিত ১/১১ অবৈধ সরকার তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল। এরপর আদালতের সম্মতিতেই তিনি চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান। চিকিৎসাধীনঅবস্থায় তার বিরুদ্ধে কাল্পনিক অভিযোগে যে মিথ্যা বানোয়াট প্রতিহিংসামূলক মামলা দায়ের করা হয়েছে, এর তীব্র নিন্দা জানাই।=

তিনি অবিলম্বে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস‌্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আসম হান্নান শাহ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, অ্যাডভোকেট আহমদ আজম খান, মীর মোহাম্মদ নাসির, যুগ্ম মহাসচিব মো.শাহজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেটআবদুল সালাম আজাদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন প্রমুখ।

এমএইচ/ এআর