বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের শীর্ষ নেতাদেরমানবিক বিবেচনায় মুক্তির দাবি করেছে বিএনপি।
রোববার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন এই দাবী করেন।
আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, বিএনপির শীর্ষ নেতারা জেলের মধ্যে অত্যন্ত অসুস্থ্য অবস্থায় আছেন। তাদের জীবন সংকটাপন্ন। যে কোন সময়ে দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তারা জেলের ভিতরে চিকিৎসা ও হাটাচলা করতে পারছে না একারনে তারা আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের মুক্তির দাবি করছি।
সরকার কোন চাপের মধ্যে নয় উল্লেখ্য করে তিনি বলেন, এখন তো আন্দোলন, হরতাল- অবরোধ নেই। তাহলে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের সরকার মুক্তি দিচ্ছে না কেন? তারা যে ভাবে ঢালাও ভাবে গ্রেফতার করছে এখন সরকারের উচিৎ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের জামিন দেয়া।
সরকারের উদ্দেশ্য বিএনপির এই মূখপাত্র বলেন, আমরা পাকিস্তানের মডেলের বাংলাদেশ চাই নাই। যেখানে সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা , মানুষের অধিকারের কথা বলা যাবে না। তাই মেহেরবানী করে বিচার বিভাগ সহ সকলের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন। সরকার মনে করছে তারা সকল কিছুর উর্দ্বে। তাদের কোন জবাব দিহি নেই। তারা যখন যা কিছু করে বেরাচ্ছে। তাদের জবাব জনগণ সময় পেলেই দেবে বলে মন্তব্য করেন রিপন।
তিনি আরো বলেন, বিএনপি গণতান্ত্রিক উদারপন্থি দল। আমরা সহিংসতায় বিশ্বাস করি না। বিএনপির নেতাকর্মীদের মুক্তি দিন। তারা তো পালিয়ে যাবে না। আইনি প্রক্রিয়া মোকাবিলা করে এদেশেই রাজনীতিস করবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক লে.কর্নেল (অব.) আব্দুল লতিফ খান, সহ প্রচার সম্পাদক ইমরান সালেহ প্রিন্স, সহ দফতর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, শামীমুর রহমান শাশীম, সহ স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক এবি এম মোশাররফ হোসেন, সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, নির্বাহি কমিটির সদস্য আবু সাহিদ খান খোকন, হেলেন জেরিন খান, সাম্মি আখতার, যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি এ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ।
এমএইচ





