দেশ ও জাতি মহাসংকটে আছে মন্তব্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,অবৈধ সরকার বন্দুক ও গুলির জোরে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়।

বৃহস্পতিবারদুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী সরকার ৫ জানুয়ারিএকতরফা নির্বাচন দিয়ে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছে। নির্বাচনের আগে তারা সংবিধান রক্ষার নির্বাচন বললেও এখন তারা নির্বাচন দিতে চায় না। কারণতারা জানে,সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তাদের জামানত হারাবে, তাদের চিহ্ন থাকবে না।

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার তারেক রহমানকে ভয় পায়। তিনি পরিছন্ন রাজনীতি করেন বলেই সরকার মনে করে তারেক রহমানকে রাজনীতিতে আসতে দেওয়া যাবে না।তারেক রহমান যেদিন ঢাকায় আসবেন সেদিন লক্ষ লক্ষ মানুষের ঢল নামবে এবং তাতে আওয়ামী লীগ নিশ্চিন্ন হয়ে যাবে।

বিএনপির এই মূখপাত্র  বলেন,  স্বাধীনতা ও অধিকারের পক্ষে কথা বলার কারণে সরকার বিরোধীদলসহ নিরীহ মানুষকে বিভিন্ন মামলা দিয়ে জেলে দিচ্ছে। আওয়ামী লীগ ৭৪ সালে বাকশাল কায়েম করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে নাই। এবার ঘোষণা না দিয়ে বাকশাল কায়েম করে তাদের সেই স্বপ্ন পুরণ করতে চায়।  

শেখ হাসিনার বক্তব্যর সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী  সংসদে বলেন নারীদের সম্মানের জায়গায় আসন হয়েছে। তার এ বক্তব্যকে আমি সমর্থন করি না। তিনি নারীদের সম্মানের কথা বলেনআবার নারীদের ওপর নির্যাতন করেন।

মহিলা দলের উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, মহিলাদের দাবি নিয়ে সামনে এসে কর্মসূচি দিলে বেশি সফল হবেন। যারা গুম-খুন হয়েছে তাদের মা'দের নিয়ে  বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে কর্মসূচি দিলে লাভবান হতেন। সবাই  ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করে এই জগদ্দল পাথরকে সড়াতে হবে। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দুর্বার আন্দোলন করে এ অবৈধ সরকারের পতন ঘটাতে হবে।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি নূরে আরা সাফার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী,মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ।

এমএইচ, জেএ