ব্রাজিল থেকে আমদানিকৃত গমকে পচা ও খাওয়ার অনুপযোগী আখ্যা দিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদগুলোকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। এই গম ভালো এবং খাওয়ার উপযোগী বলে আবারো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তিনি।
রোববার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, ‘জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে ম্যাজিষ্ট্রেটের উপস্থিতিতে আমাদানিকৃত গমের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে এ গম খাওয়ার উপযোগী। এছাড়া সায়েন্স ল্যাবরেটরিতেও পরীক্ষা করা হয়েছে, দেখা গেছে গম খাওয়ার উপযোগী।’
ব্রাজিল থেকে আমদানিকৃত গমকে পচা ও খাওয়ার অনুপযোগী আখ্যা দিয়ে সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। মূলত পুলিশের কাছ থেকে এ গমের বিষয়ে অভিযোগ যাওয়ার পরই সামনে আসে গম কেলেঙ্কারির বিষয়টি। খাদ্য অধিদপ্তরের যে মহাপরিচালকের সময়ে এই গম আমদানি করা হয় ইতোমধ্যে তাকে ওএসডিও করা হয়েছে। গণমাধ্যমের খবর, এরপর মহাপরিচালকের দায়িত্ব পাওয়া ফয়েজ আহমেদ ব্রাজিল থেকে আসা গমের একটি চালান খালাসে অস্বীকৃতি জানান।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে সংবাদ পরিবেশনে আরো দায়িত্বশীল হতে হবে। একইসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘ভবিষ্যতে আমদানির সময় আরো মানসম্মত ও প্রোটিন সমৃদ্ধ গম আমদানি করা হবে।’
জেআই





