বিএনপি-জামায়াত ভবিষ্যতে বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি যাতে না থাকতে পারে তার জন্য চক্রান্ত করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় চিত্রশালায় বিএনপি-জামায়াতের বর্বরোচিত তাণ্ডব ও অগ্নিসন্ত্রাসের তথ্য চিত্র প্রদর্শনীর অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

চিত্র প্রদর্শনীতে ২০১৩ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সরকারবিরোধী বিএনপি-জামায়াতের বিভিন্ন নাশকতা কর্মকাণ্ডের উপর ভিডিও চিত্র দেখানো হয়। এরপর চিত্র প্রদর্শনী গ্যালারির শুভ উদ্বোধন করা হয়। আজ থেকে শুরু হওয়া এই প্রদর্শনী আগামী ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের। কিন্তু তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় আজকে নির্ধারিত তার সকল অনুষ্ঠানসূচি বাতিল করেছেন বলে ঘোষণা দেন আয়োজকরা।

সভাপতির বক্তব্যে এইচ টি ইমাম বলেন, ‘২০১৪ সালে নির্বাচন শেষ হয়ে গেল। নির্বাচন নিয়ে তাদের আপত্তি ছিল। অনেক দেশই আপত্তি করেছে। তারা বলেছেন নির্বাচন সঠিক হয়নি। যাই হোক তারপরও শতকরা ৪০ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছিল। নির্বাচনটি দেশের মানুষ মেনে নিয়েছিল। মেনে নেওয়ার পরেই পরবর্তীতে যে সমস্ত স্থানীয় নির্বাচন হয়েছে প্রত্যেকটিতে বিএনপি অংশ নিয়েছে। তাদের বিপুল সংখ্যক প্রার্থী বিজয়ীও হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি নিজেও ভেবে পাই না। এমন কি সাধারণ মানুষ থেকে সকলের কাছে বড় প্রশ্ন? তারপরও কেন ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি বিএনপি পৈশাচিক ও বর্বরোচিত নৃত্যে নেমে পড়ল? এই রকম নির্মম অত্যাচার বিএনপি সাধারণ মানুষের উপরে করতে পারে না। কাজেই আমাদের মেনেই নিতে হবে। তাদের আচরণ হচ্ছে জনগণের বিরুদ্ধে। তাদের আচরণ হচ্ছে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে।’

নিজামীর রায় নিয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে এইচ টি ইমাম বলেন, ‘আজকে আদালতের রায় হয়েছে। এই রায়ে প্রমাণ হয়েছে এরা সব একসূত্রে গাঁথা।’ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং প্রচার ও প্রকাশনা উপ-পরিষদের সদস্য সচিব হাছান মাহমুদ। বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি। আরো উপস্থিত ছিলেন দলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভুঁইয়া ডাবলু।

এমএইচ