সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতি দিয়ে তিনি এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তিনি ফেসবুকেও দুটি পৃথক স্ট্যাটাসে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।

  • ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে কারা?

ফেসবুক স্ট্যাটাসে আমিরে জামায়াত তার বক্তব্যে নাম উল্লেখ না করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে বলেন, যারা আজ আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত, তারাই অতীতে হিজাবের ওপর আঘাত হেনেছে, আমাদের মা-বোনদের সম্মানহানি করেছে এবং প্রকাশ্যে নারীদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে। যারা ভয়ভীতি আর অপপ্রচারের রাজনীতি করে, তাদের কাছ থেকে আমরা গণতন্ত্র বা নৈতিকতার পাঠ নেব না। তিনি আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে জেগে ওঠা বাংলাদেশের মানুষ জানে কীভাবে সত্য-মিথ্যা যাচাই করতে হয়।

  • নারী অধিকার ও দলীয় অবস্থান

দলের ভেতরে নারীদের অবস্থান স্পষ্ট করে ডা. শফিকুর রহমান জানান, জামায়াতে ইসলামীর মোট সদস্যের ৪৩ শতাংশই নারী। তিনি বলেন, এটি কোনো স্লোগান নয়, এটিই আমাদের বাস্তবতা। তার মতে, নারীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশাসন এবং উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে জামায়াত বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে মেয়েদের নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষা, নিরাপদ ক্যাম্পাস, কর্মক্ষেত্রে সমান মজুরি এবং হয়রানির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা তিনি পুনরুল্লেখ করেন।

পরিশেষে তিনি বলেন, যে জাতি নারীকে সম্মান করতে জানে না, তারা এগোতে পারে না। আমরা এমন এক নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে প্রতিটি মানুষের মর্যাদা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।

এনএইচ