তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আজকে হচ্ছে গণতন্ত্র রক্ষা দিবস। আজকের এই দিনে নির্বাচন না হলে দেশের গণতন্ত্র ব্যহত হতো। গণতন্ত্রকে ব্যহত করতেই বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট চেয়েছিল যাতে নির্বাচনটা না হয়।

আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে একটি সেমিনারে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপিসহ তাদের দোসররা সেদিন নির্বাচনের বিপক্ষে ছিল। তারা সেদিন গণতন্ত্রকে হত্যা করতে চেয়েছিল। আর সমস্ত প্রতিবন্ধকতা উতরে দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনে ভোট দিয়েছিলো। সেই নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে বিজয় অর্জন করেছিল। এজন্য এটা পরিষ্কার যে আজকে হচ্ছে গণতন্ত্র রক্ষা দিবস।’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে প্রার্থী পরিবর্তনের ব্যাপারে এক প্রশ্নের জবাবে  আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা জয়লাভের জন্য যে প্রার্থীকে যোগ্য মনে করেছি এবং জনগণের কাছে যাকে বেশি গ্রহণযোগ্য মনে করেছি তাঁকেই মনোনয়ন দিয়েছি।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, আর বিএনপি যে 'গণতন্ত্র হত্যা দিবস' পালন করতে চাচ্ছে এর মধ্যে প্রমাণিত হয় তারা মূলত গণতন্ত্রকে হত্যা করতে চেয়েছিল। গতকালও আমরা দেখেছি, দেড়শ লোকের বিশাল মিছিল নিয়ে তারা দিবস পালনের পক্ষে কথা বলেছে। মাত্র দেড়শ লোক নিয়ে মিছিল করার এই ঘটনা প্রমাণ করে তাদের প্রতি জনগণের সমর্থন নেই।

তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ২০০৮ সালে বিএনপি গণতন্ত্র হত্যা করতে চেয়েছিল সেটা তারা পারেনি। ২০১৮ সালেও তারা একই কাজ করতে চেয়েছিল, সেখানে তারা ব্যর্থ হয়েছে। এখন তারা নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে যখন তারা রাজনৈতিকভাবে আমাদেরকে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

হাছান মাহমুদ আরো বলেন, গত কয়েকদিন ধরেই বিএনপি অফিসের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে। আমরা অতীতেও দেখেছি বিএনপি যখন কোনো আন্দোলনের ডাক দেয় তখন তারা পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করেছে, নিজেরা নিজেরা মারামারি করেছে। এটা তাদের আভ্যন্তরীণ কোন্দল ছাড়া আর কিছুই নয়।

বর্তমান সরকারের এক বছর পূর্তি হতে চলেছে, এর মধ্যে নির্বাচনী অঙ্গীকার কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যে টার্গেট নির্ধারণ করেছিলাম আমি মনে করি টার্গেটের চেয়ে অনেক বেশি অর্জন হয়েছে।’

এমআর