শুক্রবার বিকালে দলের নয়াপল্টনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম এই কর্মসুচি ঘোষণা করেন। বিএনপির এই প্রবীণ নেতা বলেন, তিন দফা স্থান পরিবর্তন করেও জনসভার অনুমতি পাওয়া যায়নি। প্রথমে যাত্রাবাড়ীর শহীদ ফারুক সড়ক প্রাঙ্গণ, পরে ডেমরার শনটেক স্কুল মাঠে এবং সর্বশেষ মাতুওয়াইল কনকর্ড হাউজিং মাঠে জনসভার স্থান নির্ধারিত হয়। কিন্তু প্রশাসন এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কিছুই জানায়নি।
তিনি জানান, অনুমতির জন্য বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বরকতউল্লাহ বুলু স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে কথা বলছেন। তিনি (স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী) আইজির সঙ্গে কথা বলতে বলেন। পরে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পুলিশের আইজি হাসান মাহমুদ খন্দকারের সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু তিনি ইতিবাচক কোনো কিছু জানাতে পারেননি।
তরিকুল ইসলাম দাবি করেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনুমতির জন্য প্রস্তুত থাকলেও উপরের নির্দেশে অনুমতি দেওয়া হয়নি।
জনসভার অনুমতি না দেওয়ায় ক্ষমতাসীনদের প্রতি নিন্দা ও ঘৃনা প্রকাশ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হয়েও সরকার অহমিকা দেখাচ্ছে। তারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়নি।
জনসভার অনুমতি না দেওয়া এবং দেশব্যাপি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ব্যর্থতার দায়ে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন বিএনপির এ প্রবীণ নেতা।
ভারতের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে হারিয়ে বিজেপির ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় তাদের অভিনন্দন জানিয়ে তরিকুল ইসলাম বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে কংগ্রেসের মতো আওয়ামী লীগও হটে যেতো।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা, যুগ্ম মহাসচিব বরকতউল্লাহ বুলু, রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ, অর্থনৈতিক সম্পাদক আবদুস সালাম, সহ-দপ্তর সম্পাদক শামীমুর রহমান, আসাদুল করীম শাহিন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
[b]ঢাকা, এমএইচ, ১৬মে(টাইমনিউজবিডি.কম)[/b]
রাজনীতি
শনিবার রাজধানীতে বিএনপির বিক্ষোভ
সারাদেশে চলমান গুম, খুন ও বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর হামলা ও মামলার প্রতিবাদে আহবান করা ১৭ মের বিক্ষোভ সমাবেশের অনুমতি না দেওয়ায় ঢাকা মহানগরীতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করবে দলটি।





