ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে ছাত্রলীগের ঢাকা উত্তর শাখার সভাপতি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে মো: ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে।
ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কমিটিতে পদ পেতে বয়সসীমা ২৭ বছর। তবে এবার দলের সাংগঠনিক নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মেলনের দিন ছাত্রলীগের নেতা নির্বাচনের বয়স এক বছর বাড়িয়ে ২৮ বছর করে দেন।
কিন্তু মহানগর উত্তরের সভাপতি পদ পাওয়া মো: ইব্রাহিমের আসল জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী সম্মেলনের দিন পর্যন্ত তার বয়স ২৯ বছর পেরিয়ে যায়। এ কারণে বয়স ২৮ বছরের মধ্যে রাখতে ভুয়া এনআইডি জমা দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে পদ পান তিনি।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, মো: ইব্রাহিম ছাত্রলীগের নেতা হতে যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সেখানে তার নাম মো: ইব্রাহিম। বাবার নাম মো: ইউনুস আলী। মায়ের নাম মেহেরুন নেছা। জন্মতারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯০। তার এমন জাতীয় পরিচয়পত্রের কোনো অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি।
প্রকৃতপক্ষে মো: ইব্রাহিমের বাবার নাম মো: আদম আলী পাত্তর। মায়ের নাম শাহানারা আক্তার। জন্ম ১ জানুয়ারি ১৯৮৯। এই জন্মতারিখ অনুযায়ী তার বয়স ২৯ বছরের বেশি। বিষয়টি গোপন রাখতেই প্রতারণার আশ্রয় নেন তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগের নির্বাচন কমিশনের এক সদস্য বলেন, ইব্রাহিমের জাতীয় পরিচয়পত্র যে ভুয়া, তা আমরা আগেই বুঝেছিলাম। তবে বিভিন্ন কারণে তার মনোনয়ন ফরম বাতিল করা সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র জমা দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে মো: ইব্রাহিম বলেন, একটা ভুল হয়ে গেছে। তবে দীর্ঘ দিন থেকে রাজনীতি করি। বড় পদ পাওয়ার পর অনেকেই পেছনে লেগেছেন। সে জন্য অনেকে আমাকে বিব্রত করার চেষ্টা করছে।’
জেড





