৩০ র্মাচ বুধবার বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ ওসমান গনি ও মহাসচিব মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা এক যৌথ বিবৃতিতে সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলনে, বিরোধী রাজনীতিকদের র্বতমান সরকার মোটেও সহ্য করতে পারছে না।

যেই মুর্হুতে দীর্ঘদিন পর ৬ষ্ঠ কাউন্সিলের জাতীয়তাবাদী দলের র্পূণাঙ্গ মহাসচিব হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম ঘোষণা করা হল তার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই তার জামিন বাতিল করে পুনরায় তাকে কারাগারে প্রেরণ করা গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত।

নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রত্যেক মতের ও ভোটার অধিকার দিতে হবে। কিন্তু র্বতমান সরকার মত ও ভোটের অধিকার থেকে বারবার সাধারণ মানুষসহ বিরোধী দলের রাজনীতি বিদদেরকে বঞ্চিত করছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একজন ক্লিন ইমেজের স্বচ্ছ রাজনীতিবিদ হিসেবে সকলের কাছে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব। অথচ এই মানুষটিকে বারবার বিভিন্ন মিথ্যা অজুহাতে ও সরকারের রোষানলের শিকার হয়ে কারাগারে যেতে হচ্ছে।

ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়ত্বি গ্রহণের পর থেকেই মির্জা ফখরুল রাজনীতির মাঠে থেকে কারাগারেই বেশী সময় পার করেছেন মন্তব্য করে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, দলের র্পূণ দায়িত্ব পাওয়ার পর পুনরায় তাকে গ্রেফতার করে সরকার তার নগ্ন চরিত্রের বহি:প্রকাশ ঘটালো।

জাতীয় মানবাধিকার সমিতি পক্ষ থেকে অবিলম্বে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ শীর্ষ সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ, আমার দশে পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ও নাগরিক ঐক্যের আহ্ববায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার নি:শর্ত মুক্তি দাবি করা হয়।

এম আর