জঙ্গিবাদকে দেশের নতুন উৎপাত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এই উৎপাতের মূলে ওই স্বাধীনতা বিরোধী ও রাজাকারের দোসররাই। কেননা নানা সময়ে আটক জঙ্গিদের স্বীকারোক্তি ও গোয়েন্দাদের তদন্তে এমন অসংখ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে।

সোমবার বিকেলে রাজধানীর ধানন্ডির ৩২ নম্বরে শোকের মাস আগস্ট উপলক্ষে কৃষক লীগের স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার ও আইন-শৃঙ্খরা বাহিনীর তড়িৎ সিদ্ধান্তের ফলেই জঙ্গিরা এদেশে সুবিধা করতে পারছে না। সব ধরণের সন্ত্রাস, উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদকে মোকাবেলায় দেশবাসিকে আরো সতর্ক থেকে সময়মতো দ্রুত যেকোনো তথ্য আইন-শৃঙ্খরা বাহিনীকে জানাতে আরো সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পরে জাতির জনককে হত্যা করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী জিয়াউর রহমান, হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ, খালেদা জিয়া স্বাধীনতা বিরোধীদের পুনর্বাসন করেছেন। জামায়াতকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছেন। বিশ্বে এমন কোনো নজির নেই যে হত্যাকারীরা দূতাবাসের দায়িত্ব পেয়েছেন। এসব চক্রান্তে বিদেশিদের পাশাপাশি দেশেরও অনেকে জড়িত। এমনকি বিশ্বাসঘাতক খন্দকার মোস্তাকের মতো কতিপয় আওয়ামী লীগ নেতারাও ছিলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরে দেশের সব ইতিহাসকে মুছে দিয়ে জাতিকে অন্ধকারে রাথার চক্রান্ত হয়েছে ২১ বছর। এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। তবে জাতি আজ অনেক সচেতন থাকায় তাদেরকে আর বিভ্রান্ত করা যাবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের জন্য কাজ করার পথ বন্ধুর ও কন্টকাকীর্ণই হয় সাধারণত, সব বাধা পেরিয়ে কাঙ্খিত লক্ষ্যে আমরা পৌঁছবোই।কারণ পিতা-মাতা-ভাই ও নিকট আত্মীয়দের হারালে জনগণ আমাকে সে অভাব বুঝতে দেননি। তাদের ভালোবাসাই আমার শক্তি।

ইআর/এমবি