নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এক দোয়া অনুষ্ঠানে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন । সরকারের ইশারার বাইরে কোন গুম-খুন হয় না।
তিনি বলেন, ‘সারাদেশে গুম-খুন হচ্ছে, এ সবের সঙ্গে নাকি বিএনপি-জামায়াত জড়িত। তাহলে প্রধানমন্ত্রী কি বসে বসে ঘোড়ার ঘাস কাটেন? তার পুলিশ বাহিনী কি করে। এ চাপাবাজি জনগণ ভালভাবেই বোঝে- সরকারের উদ্দেশ্য কী? ধরা পড়ার পর দেখা যায় আসলে তা নয়।এগুলো দৃশ্যমান মিথ্যা কথা। এ সব বোঝার জন্য বুদ্ধিমান লোকের প্রয়োজন হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের অপকর্মের হাত থেকে বাঁচতে হলে জনগণকে মোকাবিলা করতে হবে। সেই দায়িত্ব বিএনপিকেই নিতে হবে। পদের জন্য গলা না শুকিয়ে জনগণের জন্য গলা শুকান। আন্দোলনে রাস্তায় নামুন।’
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘তরিকুল ইসলাম গুরুতর অসুস্থ। জনগণের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে বার বার সামরিক স্বৈরশাসক ও গণতন্ত্রের লেবাসধারী স্বৈরশাসকের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি। তাকে আমাদের খুব দরকার। তিনি যাতে সুস্থ হয়ে আমাদের কাছে ফিরে আসেন সেই দোয়া করি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা এমন এক স্বৈরশাসক ও অত্যাচারী শাসকের অধীনে রাজনীতি করছি। দেশ রক্ষা ও গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তরিকুল ইসলামের মতো নেতার আজ বড়ই প্রয়োজন।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ শাহজাহান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সালাম, আবুল খায়ের ভূঁইয়া প্রমুখ।
এমই





