বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ৬৯ সালে মওলানা ভাসানীর এক হুংকারে স্বৈরাচারী আইউব সরকারের সিংহাসন নড়ে উঠেছিল, তেমনি খালেদা জিয়ার আহ্বানে আগামী দিনের আন্দোলনে অবৈধ সরকারের পতন ঘটবে।

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ভাসানী স্মৃতি সংসদ আয়োজিত মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে মওলানা ভাসানীর নাম চিরস্মরনীয় হয়ে থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যতই চেষ্টা করুন দেশের জনগনের মন থেকে মওলানা ভাসানী ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলা যাবে না।

তিনি বলেন, সামনে আসছে আন্দোলন। দেখা যাবে এই আন্দোলনে স্বৈরাচারী পেটুয়া বাহিনীর কাছে কত গুলি আছে। আমাদের নেতাকর্মীরা গুলি খাওয়ার জন্য বুক পেতে দিবে। আমাদের নেতাকর্মীরা গুলি শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকবে। গুলি শেষ হলে দেশের জনগন আপনাদেরকে ছাড়বে না।

তিনি ভাসানীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, মওলানা ভাসানীর সঙ্গে আমার বেশ কিছু সময় কাটানোর সৌভাগ্য হয়েছে। আমার মতে মওলানা ভাসানীর জন্ম না হলে এদেশে অনেকেই রাজনীতিবিদ হতে পারতেন না। কিন্তু আজকে অনেকেই তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর প্রয়োজন বোধ করছে না। এমনকি আমাদের তরুন প্রজন্মকে মওলানা ভাসানী ও জিয়াউর রহমান সম্পর্কে জানতে দেয়া হচ্ছে না।

এ দেশের মানুষ কখনো স্বৈরাচারকে প্রশ্রয় দেয়নি’ উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, যা স্বৈরাচারী করার করেছেন। এখন একটু থামেন। এদেশের মানুষ সব মাফ করে দেবে। অনেক খুন-গুমের ইতিহাস তৈরি করেছেন। আর হিটলারের পাশে নাম লেখাবেননা।

মির্জা আব্বাস প্রশ্ন তোলেন, মওলানা ভাসানীর মতো একজন নেতার মৃত্যুবার্ষিকীর এই ছোট্ট পরিসরে হবে কেন? কেন জাতীয়ভাবে তার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হল না ?

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি জিয়াউল হক মিলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, বরকত উল্লাহ বুলু, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, নাজমুল হক নান্নু প্রমুখ।

এমএইচ, জেএ