চলমান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সহিংসতা দমনে ব্যর্থতার দায়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পদত্যাগ দাবি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ।

 

আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া পরিষদের ২৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শহীদ জিয়ার ভুমিকা’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এ সব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে এত মানুষ মারা গেলো ইসি কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেনা। আশা করি তাদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং তারা পদত্যাগ করে অন্যদের ওপর দায়িত্ব দিবে।

 

জিয়া পরিষদের সভাপতি কবীর মুরাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লুৎফর রহমান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বাহাউদ্দিন বাহার, কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো: এমতাজ হোসেন প্রমুখ।

অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, বর্তমানে গণতন্ত্রের চিহ্ন মাত্র চোখে পড়ে না। বাংলাদেশ যেন বন্ধুহীন হয়ে পড়ছে। অথচ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশকে উন্নতির শিখরে নিয়ে গিয়েছিলেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সমৃদ্ধি অর্জন করে।

 

চলমান ইউপি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এতগুলো প্রাণহানি হলো কিন্তু ইসি কোনো পদক্ষেপ নিলো না। ইসির যদি লজ্জা থাকতো তাহলে একটি দিন হলেও তাদের পদে থাকতো না। তারা পদত্যাগ করে অন্যদের ওপর দায়িত্ব দিতো। মনে হচ্ছে তারা বোধশক্তিহীন। তিনি অবিলম্বে ইসিকে পদত্যাগ করে একটি ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন দেয়ার দাবি জানান।

 

ব্যাংক লুট হওয়া প্রসঙ্গে ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে সোনালী, রুপালি, জনতাসহ বিভিন্ন ব্যাংকে একের পর এক অর্থ কেলেঙ্কারি ঘটছে। সর্বশেষ রাজকোষ (কেন্দ্রীয় ব্যাংক) থেকে জনগণের টাকা লুট হলো। অথচ বাংলাদেশে যেখানে ষাটভাগের ওপরে লোক শিক্ষিত সেখানে এতগুলো টাকা লুট হয় কী করে? আসলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কত টাকা লুট হয়েছে তা আমাদের জানা নেই। বর্তমান গভর্নরকে এটা খুঁজে বের করার আহ্বান জানান এমাজউদ্দীন আহমদ।

 

এআই