বিএনপির চেয়ারপারসন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে ডিভিশন না দিয়ে পরিত্যক্ত জেলখানার নির্জন কক্ষে সাধারণ কয়েদিদের মত রাখায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ।
আজ প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, “বিএনপির চেয়ারপারসন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে ডিভিশন না দিয়ে পরিত্যক্ত জেলখানার নির্জন কক্ষে সাধারণ কয়েদিদের মত রাখায় দেশের জনগণের মত আমরাও গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
ভারপ্রাপ্ত আমীর বলনে, জেল কোড অনুযায়ী তিনি ডিভিশন পাওয়ার অধিকারী। কিন্তু সরকার প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে তাকে ডিভিশন না দিয়ে তার উপর চরম জুলুম করছে।
৭৩ বছর বয়স্ক অসুস্থ একজন ভদ্র মহিলার উপর এহেন আচরণে দেশবাসী বিক্ষুব্ধ ও মর্মাহত।
বসবাসের অনুপযোগী হওয়ায় সরকার নাজিমুদ্দিন রোডের জেলখানাকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে।
এটি আর এখন জেলখানা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে না। সেখানকার সকল বন্দীকে কেরাণীগঞ্জের জেলখানায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
বসবাসের অনুপযুক্ত এমনই একটি পরিত্যক্ত জেলখানায় বেগম খালেদা জিয়াকে রেখে সরকার চরম অমানবিকতার পরিচয় দিয়েছে।
বেগম খালেদা জিয়া দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তার সাথে সরকারের এহেন অন্যায় আচরণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া আর কিছুই নয়।
কোন গণতান্ত্রিক সভ্য সমাজে এ ধরনের অমানবিক ও অন্যায় আচরণ কখনো কল্পনা করা যায় না।
তিনি আরো বলনে, বর্তমান সরকার যদি গণতন্ত্র ও আইনের শাসনে বিশ্বাস করতো তাহলে তারা এ ধরনের গর্হিত আচরণ করতে পারত না।
একতরফা ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আশীন গণবিচ্ছিন্ন সরকারের এ ধরনের আচরণই প্রমাণ করে যে তারা ফ্যাসিবাদে বিশ্বাসী।
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি এ নির্দয় প্রতিহিংসামূলক আচরণ করে সরকার একটি কলংকিত কালো অধ্যায়ের সূচনা করল।
এ ধরনের প্রতিহিংসামূলক আচরণের পরিণতি কখনো শুভ হবে না। তাই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরিহার করে দেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী বেগম খালিদা জিয়াকে একজন ভিআইপি বন্দী হিসেবে আইনানুযায়ী প্রাপ্য সকল-সুযোগ সুবিধা দেয়ার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”
এএস





