মিয়ানমারে নির্বিচারে মুসলমানদের গণহত্যা-নির্যাতনের প্রতিবাদ ও দেশ ছেড়ে আসা রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়ার দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী সারাদেশে মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে বিএনপি ।
আর সেই মানববন্ধন কর্মসচীতে সাড়া দিতে গিয়ে পুলিশের বাধার সম্মুখীন হয়ে মানবন্ধন করতে পারে নি বগুড়া জেলা বিএনপির সমর্থকরা।
বিএনপির মানববন্ধন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সকাল থেকেই বগুড়া শহরে নিরাপত্তা জোরদার করে পুলিশ। শহরের নবাববাড়ি সড়কের দুই প্রবেশমুখ ফতেহ আলী মোড়ের সামনে ও সদর পুলিশ ফাঁড়ির সামনের রাস্তায় কাঁটাতারের ব্যারিকেড দেয়া হয়েছে।
বন্ধ করে দেয়া হয়েছে সবধরনের যানবাহনের চলাচল। সার্কিট হাউজের সামনে নবাববাড়ি সড়কের প্রবেশ মুখে রায়টকার ও জলকামান মোতায়েন করা হয়েছে। পুরো নবাববাড়ি সড়কে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ।
গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা দল বেঁধে টহল দিচ্ছে। সারা শহরে টহল দিচ্ছে পুলিশের বিশেষ টীম। পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তায় জনমনে একদিকে আতঙ্ক অন্যদিকে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম পুলিশের এই ভূমিকাকে ন্যাক্কারজনক দাবি করে বলেন, মিয়ানমারে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। বিএনপি সেই ঘটনার শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানাতে চেয়েছিল।
তিনি বলেন সরকার এই কর্মসূচি পালনে বাধা দিয়ে ঘৃণ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো। তিনি সরকারের এই আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
এদিকে ফেনীতেও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করতে পারে নি ফেনী জেলার বিএনপি সমর্থকরা। তারা মানবন্ধন কর্মসূচী নিয়ে বের হতে গেলে পুলিশের বাধার সম্মুক্ষীণ হয়। এক পর্যায়ে পুলিশের বাধার মুখে পণ্ড হয়ে যায় মানবন্ধন কর্মসূচী।
জেড





