বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার বলেন, ডাকাতি করা অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে গণহত্যা, গুম, খুন, জুলুম নির্যাতন করেও শেষ রক্ষা হচ্ছে না বুঝতে পেরে এখন অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে সরকার। তাদের সফল হতে দেয়া যাবে না। দেশ ও ইসলাম রক্ষায় এই অপকৌশল নস্যাৎ করে দিতে হবে।
মঙ্গলবার ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল অঞ্চলের সদস্য প্রার্থী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সকাল ১০টায় ফেনীর এক মিলনায়তনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
শিবির সভাপতি বলেন, অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে সব রকম অপকর্ম ও নৃশসংসতা চালিয়েছে আওয়ামী লীগ। কিন্তু প্রতিটি অপকর্ম ও নৃশসংসতাই বুমেরাং হয়েছে। নিজেদের অপকর্মকে আড়াল করতে যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে নাটক সাজিয়েছে সরকার। কিন্তু এ বিচার অবিচারের নিকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে দেশ বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলনকে নির্মূল করতে গণহত্যা, গুম, খুন, জুলুম নির্যাতন বাংলার জমিনে ইসলামের বিজয়কে এগিয়ে এনেছে। নাস্তিক্যবাদী শক্তিকে সাথে নিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র দেশের মানুষকে বিক্ষোদ্ধ করে তুলেছে। অন্যদিকে এসব কর্মের কারণে আওয়ামী লীগ পেয়েছে দেশ-বিদেশের বিবেকবান মুক্তিকামী মানুষের ধিক্কার, প্রত্যাখ্যান, অপমান ও ঘৃণা। কিন্তু ক্ষমতা লিপ্সু বিবেকহীন এ সরকার কিছুই তোয়াক্কা করেনি। বরং ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে অপকৌশল গ্রহণ করেছে। এজন্য নাস্তিক্যবাদী শক্তি ও দলকানা কিছু গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে জামায়াত-শিবিরকে জড়িয়ে বিরামহীন মিথ্যাচার ও অপপ্রচার করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, মন্ত্রী এমপিরা ভারসাম্যহীনদের মত কথা বলছেন। আগামী দিনের গণআন্দোলনে ভীত হয়ে সরকার এখন ডিসিসি নির্বাচন দেয়ার অপকৌশল হাতে নিয়েছে।
তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আওয়ামী অপকৌশল সফল হলে দেশ থেকে গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার ও ইসলাম ধ্বংস হয়ে যাবে। কলঙ্কিত বাকশাল পূর্ণতা পাবে। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিলিন হয়ে যাবে। সুতরাং বিশ্রাম নেয়ার সুযোগ নেই। ছাত্রশিবির নেতাকর্মীরা দেশ ও ইসলাম রক্ষায় প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রতীক। এ আন্দোলনকে চূড়ান্ত সফলতায় পৌঁছাতে হবে। প্রতিটি নেতাকর্মীকে চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের প্রতিটি অপকৌশলকে নস্যাৎ করে দিতে হবে।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক মুহসিনুল কবির, সাংস্কৃতিক সম্পাদক তারেক মনোয়ার, স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক মসরুর হোসাইন, কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি শাহ আলম প্রমূখ।
কেএইচ





