রাজপথে রাজনৈতিক কর্মসূচী পালন ও সভা-সমাবেশ করা নাগরিকের সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকার হলেও সরকার জনগণকে সে অধিকারকে বঞ্চিত করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাময়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।

কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচীর অংশ হিসাবে ২৮ অক্টোবরের হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে মহানগরী জামায়াত রাজধানীর বিভিন্ন এলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করলে সরকারের নির্দেশে পুলিশ বাহিনী শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীর উপর হামলা চালায় এবং নির্বিচারে গুলীবর্ষণ করে।

মিরপুরে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইনের নেতৃত্ব্ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করলে সমাবেশ শেষে পুলিশ বিনা উস্কানী মোবারক হোসাইনের ঝাপিয়ে পড়ে এবং তিনি সহ ১১ জনকে আটক করে নির্মম নির্যাতন চালায়।

মিরপুরে পোষ্টার লাগানোর সময় পুলিশ ৮ জনকে গ্রেফতার করে। যা সরকারের অগণতান্ত্রিক, ফ্যাসিস্ট ও বাকশালী মানসিকতার পরিচয় বহন করে।

তিনি বলেন, কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসাবে যাত্রাবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিল বের করলে পুলিশ জনতার উপর নির্বিচারে গুলী চালায়। ফলে ১০ জন আহত হয়। গ্রেফতার করা হয় ২ জনকে।

এর আগে রাজধানীর আদাবরে পোষ্টার লাগানোর সময় পুলিশ ৮ জনকে গ্রেফতার করে। জুলুম-নির্যাতন করে, গুলী চালিয়ে ও গ্রেফতার করে ২৮ অক্টোবরের খুনীদের রক্ষা করা যাবে না। একদিন জনতার আদালতে অবশ্যই তাদের বিচার হবে।

তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক কর্মসূচীতে যত বাধা আসবে ও জনগণের আন্দোলন তত তীব্র হতে তীব্র হবে।

পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে জনতার সফল কর্মসূচী পালন সে কথারই প্রমাণ বহন করে। মূলত সরকারের তীব্র বাধা-প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে নগরবাসী কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচী সার্বিকভাবে সফল ও সার্থক করেছে।

তিনি জনগণের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীতে হামলা, গুলীবর্ষণ ও গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা-প্রতিবাদ কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইনসহ গ্রেফতারকৃতদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন এবং সকল বাধা-প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে ঘোষিত কর্মসূচী সর্বাত্মকবাবে সফল করায় নগরবাসীর প্রতি শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

এসএইচ