“কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার তানভীর আরাফাত শহীদ আবরারের পরিবারকে নানা কায়দায় জিম্মি করে রেখেছেন, ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন, হুমকি-ধামকি দিয়েছেন। তার নেতৃত্বেই শহীদ আবরারের পরিবারের সদস্যদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে।” বলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি কুষ্টিয়ার এসপি তানভীর আরাফাতের অপসারণ দাবি করেন।

রোববার (১৩ অক্টোবর) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, “কুষ্টিয়ায় আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ড নিয়ে কেউ যাতে টু শব্দ না করতে পারে সেজন্য এসপি হানিফ সাহেবের লাঠিয়াল বাহিনীতে পরিণত হয়েছেন। তার কারণে কুষ্টিয়া জেলায় এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম হয়েছে।”

রিজভী বলেন, “বিএনপির পক্ষ থেকে এ মুহূর্তে কুষ্টিয়ার এসপির ন্যাক্কারজনক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং তাকে কুষ্টিয়া থেকে অপসারণের দাবি জোর দাবি জানাচ্ছি।”

বিএনপির এই নেতা বলেন, “কুষ্টিয়ার এসপি যেন মাহবুব-উল আলম হানিফ (আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক) সাহেবের নিজস্ব কর্মচারী, আইনের লোক নন। বিএনপির কর্মসূচিতে বাধা দেয়াই যেন এই এসপির একমাত্র কাজ। তিনি বিএনপির কোনো কর্মসূচি কুষ্টিয়ায় হতে দেন না।”

রুহুল কবির রিজভী বলেন, “আজকে পূর্বঘোষিত বিএনপির কর্মসূচিতে অংশ নিতে দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান ও নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিমউদ্দিন আলম কুষ্টিয়া যাচ্ছেন। লালনশাহ সেতুর ওপর উঠে নেতৃবৃন্দ দেখেন, শত শত পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে, তাদেরকে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না, তাদেরকে শহীদ আবরারের পরিবারের সঙ্গেও দেখা করতে দিচ্ছে না। এই দলদাস এসপিদের আস্কারাতে ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডাররা সারাদেশজুড়ে নির্দয় খুন, জখম, দখল, ক্যাসিনো-জুয়াতে জড়িত হয়ে পড়েছে।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য নজমুল হক নান্নু, অধ্যাপক মামুন আহমেদ, কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব, মুনির হোসেন, তাইফুল ইসলাম টিপু প্রমুখ।  

এমবি