শনিবার (২৫ জুন) সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মাওয়াপ্রান্তে হাজির হয়ে হলে সাংবাদিকরা ঘিরে ধরলে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘অত্যান্ত আনন্দঘন অনুভূতি এটা। একাত্তরেও মুক্তিযুদ্ধ করতে পেরেছি। আজকে পদ্মা সেতু নিজের চোখে দেখতে পেরেছি। এটা আমার জীবনের বড় একটি আকাঙ্খা পূর্ণ হয়ে গেছে। আমি জাতির উল্লেখযোগ্য ঘটনারগুলো মধ্যে একটাতে অনুপস্থিত ছিলাম, সেটা ৭ই মার্চের ভাষণ। এছাড়া জাতির সব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় আমি ছিলাম।’
ড. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘পদ্মা সেতু আমাদের জীবনযাত্রাকে সহজ করেছে। ব্যবসা-বাণিজ্য বিস্তার লাভ করবে আরো। এখানে ধনীদের লাভ বেশি হবে, গরিবদের কম। সেজন্য আমি পদ্মা সেতুতে অ্যাম্বুলেন্সের টোল ফ্রি করে দিতে অনুরোধ করছি। আর যত বিদেশি গাড়ি এলে ডাবল টোল দিতে হবে, যে দেশই হোক না কেন।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভুয়সী প্রশংসা করে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘আজকে জাতির এই সাহসী উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। তবে আমি আমি প্রধানমন্ত্রীকে আরো মহানুভব হতে অনুরোধ করছি। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দিকে উনার নজর দিতে হবে। উনি অনেক ভালো কাজ করেছেন। এখন উনার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।’
এইচএন





