আওয়ামী লীগের পক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক সমাবেশে উপস্থিত হয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ও বিএনপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।
আজ (শনিবার) বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশ মঞ্চের সামনে সরকার দলীয় মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তাদের বসে থাকতে দেখা যায়।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেওয়ায় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নাগরিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথি রয়েছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন এমিরেটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। সমাবেশ পরিচালনা করছেন নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার ও শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. আলীম চৌধুরীর মেয়ে ডা. নুজহাত চৌধুরী।
বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী: মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক কাদের সিদ্দিকী ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের এমপি ছিলেন। পরবর্তী সময়ে মতপার্থক্যের কারণে দল ত্যাগ করে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ গঠন করেন তিনি। এরপর থেকে তিনি আওয়ামী লীগের একজন কড়া সমালোচক। তবে বরাবরই তিনি বঙ্গবন্ধুর প্রতি তার একনিষ্ঠ ভক্তির কথা প্রকাশ করে থাকেন।
ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যকলাপের জন্য ২০১০ সালে তৎকালীন ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে বহিষ্কার করেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
এরপর তিনি গঠন করেন বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ)। পরবর্তী সময়ে তাকে বিএনএফ থেকেও বহিষ্কার করা হয়। পরে গত মে মাসে তিনি গঠন করেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স-বিএনএ। তবে তাতেও তেমন সাড়া পাননি। গত ১ অক্টোবর গুজব ছড়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নাজমুল হুদাকে ডেকেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেননি।
এমবি





