দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনে ‘বগুড়ায় জিহাদী বই, চাপাতিসহ ১৪ শিবির নেতা গ্রেপ্তার’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন খবর প্রকাশের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. আতিকুর রহমান ও সেক্রেটারী জেনারেল ইয়াছিন আরাফাত বলেন, পুলিশ একের পর এক দায়িত্বহীন ও বেআইনি কাজ করে যাচ্ছে আর বাংলাদেশ প্রতিদিনের মত কিছু গণমাধ্যম পুলিশের ঢাল হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বগুড়ায় জামিল নগরে গোপন বৈঠক চলাকালে জিহাদি বই ও চাপাতিসহ শিবির নেতাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। যা সম্পর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং পরিকল্পিত মিথ্যাচার।

মূলত কাহালু উপজেলার কচুয়া গ্রামের জামে মসজিদে বগুড়া আজিজুল হক কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সহ ধর্মীয় সম্পাদক আনিছুর রহমান পাশা’র শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কিন্তু পুলিশ জুমআ নামাজ চলাকালীন অবস্থায় মসজিদের সামনে অবস্থান নেয় এবং শতশত মুসুল্লিদের সামনে থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

কাহালু মসজিদ থেকে গ্রেপ্তারের পর নাটক সাজানোর উদ্দেশ্যেই পুলিশ তাদের কে জামিল নগরে গ্রেপ্তার করা হয় বলে দাবি করে।

কচুয়া গ্রামে প্রকাশ্যে মসজিদ থেকে শিবির কর্মীদেরকে গ্রেপ্তার করার পর কিভাবে তাদের কাছ থেকে তথাকথিত জিহাদী বই ও চাপাতি উদ্ধার হয় তা আমাদের বোধগম্য নয়।

গ্রেপ্তারের পর জিহাদী বই ও চাপাতি উদ্ধারের ঘটনা যে স্পষ্টতই পুলিশি নাটক তা সকলের কাছেই পরিষ্কার।

তবুও দলীয় সংকির্ণতার কারণে আসল বিষয়টি চেপে গিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিন পুলিশের ভাষায় বানোয়াট প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যা হলুদ সাংবাদিকতার আরেকটি নিকৃষ্ট উদাহারণ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, যখন তখন ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে অপপ্রচার করা কোন সুষ্ঠ সাংবাদিকতার মধ্যে পড়েনা বরং এগুলো রাজনৈতিক মিথ্যা বক্তব্যেরই প্রতিফলন মাত্র।

আমরা অবিলম্বে এই বানোয়াট খবর প্রত্যাহারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।
নেতৃবৃন্দ এ ধরণের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদন প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক ও গণমাধ্যমের প্রতি আহবান জানান।

এসএম