আমাদের রাজনীতিবিদরা সন্ত্রাস, টেন্ডার আর ডিজিটাল নীতিতে ব্যস্ত। যে কারণে বিশ্বের সবচেয়ে জঘন্যতম হত্যাযজ্ঞের সময়ও বিভিন্ন ক্ষমতাসীন দল তাদের রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলে ব্যস্ত। তাদের উচিৎ ছিলো সরকারিভাবে এর প্রতিবাদ জানানো।
মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির উদ্যোগে ফিলিস্তিনের গাজায় নির্বিচারে শিশু-নারী ও মুসলমান হত্যার প্রতিবাদে নাগরিক মানববন্ধনে বক্তারা এ কথা বলেন।
জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানবন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামীক পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল মোবিন। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার ব্যুরোর মহাসচিব অ্যাড. মোহাম্মদ শাহজাহান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন নতুনধারা বাংলাদেশ (এনডিবি)’র চেয়ারম্যান কলামিস্ট মোমিন মেহেদী ও প্যালেস্টাইন প্রত্যাগত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউল কবির দুলু।
বক্তব্য রাখেন লায়ন মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার, জাতীয় মানবাধিকার সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ মোস্তফা জামান লিটু, মহাসচিব মিলন মল্লিক, মানবাধিকার সংগঠক কেএম রকিবুল ইসলাম রিপন, কাদের সিদ্দিকীসহ সাংবাদিক, সুশীল সমাজ ও মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট আবদুল মোবিন বলেন, সরকারের উচিৎ ছিলো সংসদে একটি ঘৃণা প্রস্তাব উপস্থাপন করা। যাতে করে বাংলাদেশে ইসলামি কর্মকাণ্ডের যে প্রমাণ বিভিন্ন সময় তৌহিদী জনতা দিয়েছে, তার ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে।
ঢাকা, ১৫ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই





