বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে আজ ২১ মে সংঘটিত ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা,নোয়াখালী, লক্ষীপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার জেলায় জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগও শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর জনাব মকবুল আহমাদ।
আজ ২১ মে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন,“উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্থদের সংশ্লিষ্ট ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে পটুয়াখালী, ভোলা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলায় এ পর্যন্ত ২১ জন লোক নিহত এবং তিন শতাধিক লোক আহত হয়েছে, সাত শতাধিক কাঁচা ঘর-বাড়ী ধ্বংস হয়েছে, গাছ-পালা, জমির উঠতি ফসল বিনষ্ট হয়ে গিয়েছে, চিংড়ি ঘের ও পুকুরের মাছ ভেসে গিয়েছে।
হাজার হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছে। তিন শতাধিক ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্তহয়েছে। বহু পরিবার সর্বশান্ত হয়ে গিয়েছে। হাজার হাজার মানুষ খোলা আকাশের নীচে অর্ধাহারে ও অনাহারে কোন রকমে বেঁছে আছে। বেড়িবাঁধ ভেংগে পানি ঢুকে বহু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে এবং জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।
পানি বন্দীদের উদ্ধার ও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্যজরুরী ভিত্তিতে খাদ্যপানীয় ও গৃহনির্মাণ সামগ্রীর ব্যাবস্থা এবং আহতদের চিকিৎসার বাবদ করার জন̈আমি সংশ্লিষ্ট ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্যবিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী এবং আর্থিক অনুদানও সহযোগিতা নিয়ে পাশে দাঁড়াবার জন্য আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দূর্গত অঞ্চলের সকল শাখা, ̄সচ্ছল দানশীলব্যাক্তি ও সেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে যারা নিহত হয়েছেন আমি তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাদের শোক-সন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহর দরবারে বিনয়াবনত চিত্তে দোয়া করি আল্লাহ যেন সমগ্রক্ষতিগ্রম্ত মানুষকে তার গায়েবী সাহায্যদিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার তাওফীক দান করেন।”
এআই





