শিল্পমন্ত্রী আমির হোসের আমু বলেছেন, ছাত্র হত্যার রাজনীতি আজ সৃষ্টি হয়নি, জিয়াই প্রথম এদেশে ছাত্র হত্যার রাজনীতি শুরু করেছে, তার আমলে ময়মনসিংহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন মেধাবী ছাত্রকে হত্যা করা হয়।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে শেখ হাসিনার ১৭মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তণ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষক লীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, জনগণের শক্তিই বড় শক্তি, তারাই কাতার বদ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে আছে, তাই বিএনপির বিদেশীদের কাছে ধরনা দিয়ে লাভ নেই বলে মন্তব্য করেছেন ।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রের আন্দোলনের নামে বিএনপি পেট্রোল বোমা দিয়ে মানুষ হত্যার কারণে জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা আর বিএনপিকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, আমরা রাজনীতি করেছি, আমরা আন্দোলন করেছি, কিন্তু আন্দোলনের নামে পেট্রোলবোমা মেরে মানুষ হত্যা করেনি। হরতাল অবরোধ দিয়ে রাজপথে অবস্থান করেছি, আন্দোলনের নামে মাঠে না থেকে, পেট্রোলবোমা মেরে মানুষ হত্যা করেনি।

শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নে কাজ করছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, দেশে শুধু গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেননি, সমুদ্র চুক্তি, পানিবন্টন চুক্তিসহ ভারতের সাথে ছিটমহল চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে যেখানে ৬৫ হাজার বাড়ী ঘরে আগুন দিয়ে আমাদের মা বোনকে হত্যা করা হয়েছিল, আজ সেখানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে।

বিএনপি ক্ষমতায় ছিল, কিন্তু তারা এই সমস্ত চুক্তি বাস্তবায়নে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। কারণ তারা স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি।

তিনি বলেন, আরবে যেমনি ভাবে অবহেলিত, অধিকার বঞ্চিত জাতিকে রাসুল (স:) ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ করেছিলেন, তেমনি হাজার বছর ধরে বাঙ্গালী জাতী যে প্রতিক্ষার প্রহর গুণছিল তার ফসল বঙ্গবন্ধু। তার রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কাজকে তার কন্যা সমাপ্ত করার কাজে হাত দিয়েছেন। এবং তিনি দৃড় ভাবেই সে কাজ সমাপ্ত করার জন্য সাহসীকতার সাথে সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন।

২০১৮ সালে মধ্যে বাংলাদেশ দারিদ্র মুক্ত হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, দারীদ্র মুক্তিতে বাংলাদেশ ভারতের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে সমুদ্র জয় হয়েছে, তার তলদেশে বিদ্যমান সম্পদ যদি আমরা যথাযথ ভাবে আহরণ করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশ একটি মধ্যে আয়ের দেশে প্রতিষ্ঠা লাভ করবে।

সংগঠনের সভাপতি মোতাহার হোসেনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, কৃষিও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ড.আব্দুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাউদ্দীন নাসিম, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন সুইট প্রমূখ।

এমএ/এএইচ