সিলেকশান বা লোবিং নয়; ছাত্রলীগের নেতা কাউন্সিলরদের ভোটে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পন্থায় নির্বাচিত হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ (শনিবার) ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৮ তম সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই ঘোষণা দেন।
শেখ হাসিনা বলেন, স্বচ্ছ ব্যালক বাক্সে ভোট প্রদান করা হবে। সারা দেশ থেকে আগত কাউন্সিলররা তাদের ভোট দিবেন। আর এভাবেই সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে উপ-মহাদেশের ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে।
তিনি বলেন, আজ জাতীয় নির্বাচনে যে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার হয়, তার যাত্রা ছাত্রলীগের নেতা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল।
যেই গণতান্ত্রিক ধারা ছাত্র লীগের নেতা নির্বাচনে চালু হয়েছিল তা কিছুতেই ভঙ্গ করা হবে না-এমন ঘোষণা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, গণতান্ত্রিক ধারা এবারের নেতা নির্বাচনেও বহাল থাকবে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
আর ছাত্রলীগের নেতা হওয়ার জন্য বয়স ২৯ বছরের মধ্যে থাকার যেই বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করা হয়েছিল তা বহাল রাখার পক্ষেও মত দেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
তবে, নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে কাউন্সিলরদের মেধাবী ও নিয়মিত ছাত্রদের প্রতি ভোট দেয়ার আহবান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, মেধাবীদের নেতা নির্বাচনের মাধ্যমে ছাত্রলীগের ঐতিহ্য অক্ষুন্ন রাখতে হবে।
উল্লেখ্য, ২৮তম সম্মেলনকে ঘিরে বেশ কিছুদিন ধরেই সবচেয়ে আলোচিত হচ্ছিল যে বিষয়টি তা হলো কে হবেন ঐতিহ্যবাহী এই ছাত্র সংগঠনটির পরবর্তী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। এরই মধ্যে এই দুই পদে তীব্র লবিং তদবিরের খবরও পাওয়াযাচ্ছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য দুই শতাধিক নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ৮০ জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ১৬২ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
শেষ পর্যন্ত কাউন্সিলররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ কতটা পান এবং ২৯ বছরের বয়সসীমা ও নিয়মিত ছাত্ররা নেতৃত্বে আসার সুযোগ পাবেন কীনা আগামী কাল (রোববার) সম্মেলনের শেষ দিনেই তা পরিস্কার হবে। সেদিকেই এখন দেশবাসীর সতর্ক দৃষ্টি।
কেবি/ইআর





