বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বলেছেন, বাংলাদেশে ৭৫’র ১৫ আগস্ট জঙ্গি-সন্ত্রাস শুরু হয়। জঘন্য ও নৃশংস এই হামলায় বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্ব-পরিবারে শাহাদাৎ বরণ করেন।

আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে এদেশের স্বাধীনতা বিরোধীরা এই জঘন্য বর্বর হত্যাকান্ড ঘটায়। এরপর থেকে স্বাধীনতা বিরোধীরা এদেশে জঙ্গি-সন্ত্রাস করে আসছে। সাম্প্রতিককালে এই জঙ্গী সন্ত্রাস ও স্বাধীনতা বিরোধীদের তৎপরতা বেড়েছে।

এদের দমনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী জনগণ ইতিমধ্যে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলেছে। তরুণ সমাজসহ সকলকে স্বাধীনতাবিরোধীদের এই সকল জঙ্গি কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সর্বদা সচেষ্ট থাকতে হবে। জঙ্গি-সন্ত্রাস স্থায়ীভাবে দমনে দেশের শিক্ষাক্রমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ পাঠ্যক্রম অন্তর্ভূক্ত, দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ, বঙ্গবন্ধুর চর্চা এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সর্বস্তরে বাস্তবায়ন করা জরুরী।

৭১’র চেতনা বাস্তবায়ন পরিষদ এর উদ্যোগে ২ সেপ্টেম্বর বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত ‘জঙ্গিবাদ উত্থানের কারণ ও তার প্রতিকার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমানে জঙ্গিবিরোধী যে আন্দোলন চলছে এতে বাঙালি জাতিরই বিজয় হবে। সংগঠনের উপদেষ্টা বীরমুক্তিযোদ্ধা এম. কেরামত আলী’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য ড. মির্জা আব্দুল জলিল, ন্যাশনালিস্ট ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এনডিএফ)’র চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলু, সংগঠনের সভাপতি শেখ ইকবাল হাসান স্বপন প্রমুখ। আলোচনা শেষে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় কয়েকজনকে সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়।

এসএ