দেশকে নেতৃত্বশূন্য করার জন্যই সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরী, মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী এবং কামরুজ্জামানকে ফাঁসি দেয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে মন্তব্য করে শফিউল আলম প্রধান বলেন, জাগপা মনে করে দেশে একটি পতাকা আছে কিন্তু স্বাধীনতা নেই। নদী আছে তার প্রবাহ নেই। সীমান্তে প্রতিদিন গুলি করে বাংলাদেশীদের মারা হয়। দেশে আজ স্বাধীনতা নেই বলেই এই অবস্থা হচ্ছে।
তিনি বলেন, শুধু মাত্র ভোট দেয়া মানেই গণতন্ত্র নয়। আজ বিনা বিচারে মানুষকে ফাঁসি দেয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে। হর হামেশা হত্যা করা হচ্ছে। বেগম জিয়াকে পর্যন্ত একটি খেলার মাঠে নিয়ে খেলা মার্কা বিচার করা হচ্ছে। এসব চক্রান্ত রুখতে ৭১ সালের মত জাতীয় ঐক্য দরকার বলে মত দেন তিনি।
এর বিরুদ্ধে যে কথা বলবে বুঝতে হবে তারা ক্রীতদাস সরকারের দালালিতে লিপ্ত রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নাস্তিক এবং ধর্মহীন বানানোর কারখানায় পরিণত করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন শফিউল আলম প্রধান।
মোস্তফা কামাল মজুমদার বলেন, সত্যিকার অর্থেই দেশে আজ গণতন্ত্র নেই। দেশে যেভাবে খুন,গুম এবং হত্যাকাণ্ড চলছে এই দেশের জন্য কেউ যুদ্ধ করেনি। প্রতিহিংসার রাজনীতির কারণেই আজ গণতন্ত্র বিপন্ন মন্তব্য করে তিনি বলেন, দেশের জনপ্রতিনিধিত্ব আজ হুমকির সম্মুখীন। অসহিষ্ণুতার জন্যই গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্র উদ্ধারের জন্য সবাইকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অধ্যাপক সেলিম বলেন, শেখ হাসিনা যে দেশের প্রধান মন্ত্রী সেখানে প্রতিহিংসা হবেই। আর তার কাছ থেকে মানবাধিকার আশা করাটা এক ধরণের অন্যায়। দেশটাকে শেষ করে দেয়ার জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিতে চায় সরকার। চক্রান্তের কারণে মেধাবীরা হতাশ হচ্ছে আর জাতি মেধাবীর শিক্ষক পাওয়া যাচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেন এই শিক্ষক নেতা।
তিনি অভিযোগ করেন, পরীক্ষার পর খাতা দেখার জন্য শিক্ষকদের সতর্ক করে দেয়া হয়। কেউ ভাল করে খাতা দেখলে শাস্তি দেয়া হয়। পরবর্তীতে ওই শিক্ষককে আর খাতা দেয়া হয় না।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, সরকার মূলত মুখে মুখে তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখছে। গণতন্ত্রের লেবাসে বাকশাল কায়েম করছে। শেখ হাসিনা জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে চায়।
এজন্য জামায়াত অফিসে তল্লাশি চালিয়েছে। সাতক্ষীরায় অভিযান চালিয়েছে। কিন্তু গাজীপুরে বিএনপির মিছিলে গুলি চালিয়েছে কেন। এসরকারের পতনের জন্য সিদ্ধান্ত নেয়ার আহ্বান জানান ইরান।
সংগঠনের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বিশিষ্ট সাংবাদিক মোস্তফা কামাল মজুমদার, শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট সভাপতি অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া, লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার ফরিদ উদ্দিন, এমদাদুল হক চৌধুরী, মো. ফারুক রহমান, জাকির হোসেন প্রমূখ।
এসএইচ





