বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বিরোধী দলের যে কোনো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে সরকারি এজেন্ট দিয়ে নাশকতা চালিয়ে দোষ চাপানোর ঘৃন্য পন্থা অবলম্বন করতেও দ্বিধা করছে না বর্তমান অবৈধ সরকার।’
গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির কার্যালয়ে মঙ্গলবার পুলিশের সহযোগিতায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের ভাঙচুর, আগুন ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি এ সব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘ভোটারবিহীন নির্বাচনে জোর করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলকারী বর্তমান অবৈধ সরকার নিজেদের অস্তিত্বের প্রশ্নে সারাদেশে সন্ত্রাসী শাসনের কাঠামো তৈরি করেছে। বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন নিপীড়ন বাড়িয়ে দিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘হত্যা, গুপ্তহত্যা, গুম, অপহরণ আর মিথ্যা মামলা, গ্রেফতার এবং রিমান্ডে নিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় বর্বর নির্যাতন করা হচ্ছে আন্দোলন সংগ্রামে বিরোধী নেতাকর্মীদের ভয় পাইয়ে দেওয়ার জন্য। তারই ধারাবাহিকতায় গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘দেশের ক্রমঅবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে মানুষ আজ দিশেহারা। বর্তমান অবৈধ ক্ষমতাসীনদের বিষাক্ত ছোবল ও আগ্রাসন থেকে জাতিকে এখনই মুক্ত করতে না পারলে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়বে।’
বিএনপির মুখপাত্র অবিলম্বে গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলাকারী দুস্কৃতকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এমকে





