আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে কলঙ্কিত করেছে মন্তব্য করে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেছেন, ভোটারবিহীন নির্বাচন করার কারণে দেশের মানুষ আজ ম্যান্ডেট দেওয়ার অধিকার হারিয়েছে। সরকার মনে করছে, মানুষ ভুলে যাবে। কিন্তু, জনগণ তাদের অধিকার ফিরে পেতে আবারও বিএনপি নেতৃত্বাধীন আন্দোলনে অংশ নিবে।
শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স রুমে জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদ আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও শহীদ জিয়ার ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
গণতন্ত্র রক্ষার জন্য ঢাকার বাইরে দুই হাজার ৩শ নেতাকর্মী জীবন দিয়েছেন দাবি করে তিনি আরও বলেন,  কিন্তু এ সময় ঢাকায় আন্দোলন হয়নি। সময় এসেছে, এই সরকারের কাছ থেকে আন্দোলনের মাধ্যমে অধিকার আদায় করার। অন্যথায়, এই সরকারের আমলে গোলামের মতো বসবাস করতে হবে।
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম বলেন, ৫ জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচনের ফলে এই সরকারকে আর নির্বাচিত সরকার বলা যাবে না। এটা নির্বাচিত সরকার নয়, তারা বিনাভোটে ১৫৩ জন সংসদ সদস্য আর বাকি ১৪৭ জন ভাগ-বাটোয়ারা করে নিয়েছেন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, সরকার মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের গ্রেফতার করেছে। এরা শুধুমাত্র পুলিশ বাহিনীকে ব্যবহার করে টিকে আছে। এদের বিরুদ্ধে রুখে না দাঁড়ালে মুক্তিযুদ্ধের কোনো চেতনা থাকবে না।
তিনি বলেন, এরা জনগণের কাছে কোনো সমর্থন পায়নি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ও আমেরিকার পার্লামেন্ট এ নির্বাচনকে মেনে নেয়নি। এমনকি ভারতীয় পত্রিকাও এই নির্বাচনকে 'প্রশ্নবিদ্ধ' বলেছে।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপের ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্যারিস্টার রফিক বলেন, ভারত শুধু এ দেশের বাজারই দখল করেনি; তারা বাংলাদেশের রাজনীতিকেও দখল করেছে।
সংগঠনের সভাপতি মেজর (অব.) মোহাম্মদ হানিফের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বীরপ্রতীক, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার ও বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য ঈসমাইল হোসেন বেঙ্গল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
[b]ঢাকা, এমএইচ, ১৪ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম)//এএইচ[/b]