বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার বলেছেন, কুরআনের পথে চলা ও তার বিরোধীদের পরিণতি স্পষ্ট। কুরআনের পথের যাত্রীরা দুনিয়া ও আখেরাতে সফল। কিন্তু কুরআনকে যারা ধ্বংস করতে চেয়েছে তারা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।

সোমবার ছাত্রশিবির আয়োজিত ঐতিহাসিক কুরআন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সেক্রেটারী জেনারেল আতিকুর রহমানের পরিচালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ইয়াছিন আরাফাত, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ।

শিবির সভাপতি বলেন, যুগে যুগে কোরআনকে ধ্বংস করতে বিভিন্ন রকমের ষড়যন্ত্র হয়েছে। কুরআনের শত্রুরা বিভিন্ন অবস্থান থেকে কুরআনকে ধ্বংসের চেষ্টা করেছে। কিন্তু এর ফলাফল হয়েছে একই রকম। আর তা হলো তারা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, নিজেদের স্থান করে নিয়েছে ইতিহাসের ধিকৃতদের কাতারে। অন্যদিকে কুরআনকে বুকে ধারণ করে যারা জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছে তারা ইতিহাসের প্রেরণার বাতিঘর হয়ে বেঁচে আছেন। কুরআন হলো চির সত্যর বাণী। আর সত্যর সাথে বাতিলের সংঘাত থাকবে অনন্তকাল। এটাই ঐতিহাসিক বাস্তবতা। বাংলার জমিনও এই অনিবার্য পরিণতির বাইরে নয়। কুরআনের পথে অবিচল থাকতে গিয়ে গণহত্যার শিকার হয়েছে বাংলার নারী, শিশু, বৃদ্ধ, আলেম-ওলামা।

১৯৮৫ সালের ১১ মে’র কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সেদিন চাঁপাইনবাবগঞ্জে যেভাবে কুরআনপ্রেমী মানুষকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল, তা সত্যিই বেদনাদায়ক। দুঃখজনক হলেও একথা সত্য যে, সেদিনের খুনীদের বিচার না করে বরং পুরষ্কৃত করা হয়েছে। উচিৎ ছিল রাষ্ট্রীয়ভাবে সেদিনের শহীদদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা। কিন্তু রাষ্ট্র অবহেলা করলেও সেদিনের শহীদেরা বাংলার জমিনের কুরআন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক আলোক বর্তিকা রুপে ভূমিকা রাখছে।

জেডআই