চলমান রাজনৈতিক সহিংসতায় সারাদেশে এ পর্যন্ত ৬৭ জন নিহত এবং ২৮৭ জন আহত হয়েছেন। ৮৪৯টি গাড়িতে অঙ্গিসংযোগ, ভাংচুর করা হয়েছে ৪৩৪টি গাড়ি। এছাড়া ১৭টি অফিস ও বাড়িতে অঙ্গিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা।
পুলিশ সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকতা একেএম কমরুল হাছান বুধবার টাইম নিউজবিডিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের এক উর্দ্ধতন কর্মকর্তা জানান, এ ঘটনায় সারাদেশে এক হাজারেরও অধিক মামলা হয়েছে। রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ ৭ হাজারেরও বেশি মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির ভোটার বিহীন নির্বচনকে আওয়ামী লীগ দাবি করে গণতন্ত্রের বিজয় আর বিএনপি দাবি করে গণতন্ত্রের কবর হয়েছে।
পাল্টাপাল্টি এ দাবির প্রেক্ষিতে ৫ জানুয়ারি ছিলো রাজধানীতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমাবেশ। নাসকতার অশঙ্কায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ রাজধানীতে সকল প্রকার সভাসমাবেশ নিষিদ্ধ করে।
এ কারণে বিএনপি জমায়াত অনির্দিষ্টকালের জন্য সারাদেশে অবরোধের ডাক দেয় এবং কিছুদিন পর থেকে হরতালেরও ডাক দেয়া হয়।
৫ জনুয়ারি ২০ দল ও ১৪ দলের পল্টাপাল্টি সমাবেশকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই রাজেনৈতিক সহিংসতা এখনও চলছে।
এই রাজনৈতিক অবস্থা সম্পের্কে আনিছুর রহমান নামক ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, এই সহিংসতায় শুধু আ'লীগ বিএনপিই উপকৃত হচ্ছে মাঝখানে আমরা সাধারণ মানুষ মরছি। আমরা বাসা থেকে বের হলেই মনে আশঙ্কা থাকে সুস্থ ভাবে বাসায় ফিরতে পরবো কি?'
ফার্মগেট এলাকার চায়ের দোকানদার মোজাফ্ফর বলেন, আমরা এই আন্দলোন বুঝি না আমরা বুঝি দু'মুটো ভাত এখনতো তাও পাচ্ছিনা।
এআই, জেএ





