‘উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলেছি দুর্বার, এখন সময় বাংলাদেশের মাথা উচুঁ করে দাঁড়াবার।’ আওয়ামী লীগের এবারের জাতীয় সম্মেলনের ডাক এটি।
আগামীকাল ২২-২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের আসর বসছে । সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের শেষ মুর্হূতের প্রচার-প্রচারণার কমতি নেই। সম্মেলনস্থল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যে অন্য রকম আমেজ।কারা আসছে নতুন নেতৃত্বে তা নিয়ে চলছে নানা চলপনা কল্পনা। ব্যস্ত সময় পার করছেন সম্মেলন আহব্বায়ক কমিটির সদস্যরা।

৫০ হাজার লোক ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন প্যান্ডেলের
বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লক্ষো করা গেছে, পুরো মাঠ জুড়েই সাজ-সাজ রব।একের পর এক নেতা আসছেন সম্মেলনের শেষ মুহূর্তের প্রস্ততি দেখার জন্য। আর দূরদুরান্ত থেকে নেতা কর্মীরা এসে নেতাদের সাথে সেলফি আর চায়ের কাপে ঝড় তুলছেন। চোখ ধাঁধাঁনো আলোকসজ্জা আর নানা রঙের ব্যানার ফেস্টুন ও পোস্টারসহ অপরূপ সাজে সেজেছে উদ্যানটি। নৌকার আঙ্গিকে তৈরি করা হয়েছে সম্মেলনের মূল মঞ্চ।চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।
এদিকে, সম্মেলনকে ঘিরে পুরো রাজধানীকে বর্ণিল সাজে সাজিয়েছে আওয়ামী লীগ। আলোকসজ্জা, তোরণ, ব্যানার, ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে প্রতিটি সড়ক ও অলি-গলি, এমনকি বড় বড় স্থাপনাগুলোও। আওয়ামী লীগের নানা উন্নয়নমূলক স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ডও দৃষ্টি কাড়ছে সবার।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নিরবচ্ছিন্ন কঠোর নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুধু সম্মেলনস্থলই নয় পুরো রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে বাড়তি প্রস্তুতি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দুই হাজার স্বেচ্ছাসেবক।

পুলিশ কন্ট্রোল রুম
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সূত্র জানিয়েছে, সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ আশপাশের এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবেন। তবে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের নিরাপত্তার নির্দেশনা দেবে।

র্যাব কন্ট্রেঅল রুম
সম্মেলন স্থল ঘুরে দেখা যায়, সম্মেলন মঞ্চের দক্ষিণ পাশে বসানো হয়েছে পুলিশ কন্ট্রোল রুম , তার পূর্ব পাশে র্যাপিড এ্যাকশণ ব্যাটালিয়ান-৩ এর কন্ট্রোল রুম। দক্ষিন পশ্চিম পাশে বসানো হয়েছে মেডিকেল ক্যাম্প, আরও বিভিন্ন ধরনের সেবা দিতে এরেই মধ্যে সকল প্রস্তুতি শেষ করেছে কর্তৃপক্ষ।
৫০ হাজার লোক ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন প্যান্ডেলের কাজ ইতোমধ্যেই শেষ । বিভিন্ন স্তরের আসল গুলো অপেক্ষায় আছে তা কখন পূর্ন হবে। প্যান্ডেলের সম্মুখে নৌকা আকৃতির মঞ্চের কাজ প্রায় শেষ।চলছে রঙ্গের কাছ।
ইতোমধ্যে সম্মেলনের ৯৫ শতাংশ প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে উল্লেখ করে বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘আশা রাখছি, আজ (বৃহস্পতিবার) রাতের মধ্যেই শতভাগ কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে’।
আজ (শুক্রবার) (২১ অক্টোবর) দুপুর ২টার মধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে সম্মেলনস্থল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি।
এমবিএইচ





