গাজীপুরে ২০ দলের সমাবেশ করতে না দেয়া ও বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মুক্তির দাবিতে ২৯ ডিসেম্বর সোমবার সারা দেশে সকাল সন্ধ্যা হরতাল পালনের আহবান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলসানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের মহাসচিব পর্যায়ের বৈঠক শেষে তিনি এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু, সাবেক মন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও ঢাকা বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দীন আহমেদ পিন্টুসহ ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীর মুক্তি, আজকের বিক্ষোভ সমাবেশে হামলা ও গাজীপুরে ২০ দলীয় জোটের পূর্বঘোষিত সমাবেশ করতে না দেয়ায় এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হল।
মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার পূর্বপরিকল্পিতভাবে ছাত্রলীগ দিয়ে নাটক করে ১৪৪ ধারা জারি করে। বিএনপিকে গাজীপুরের ২০ দলীয় জোটের সমাবেশ করতে দেয় নাই। অথচ আজ সেখানে পুলিশের সহযোগিতায় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা জড়ো হয়ে মিছিল করছে।
তিনি বলেন, সরকার দেশে দুই আইন চালাচ্ছে। আওয়ামী লীগের জন্য এক আইন আর বিরোধী দলের জন্য আরেক আইন চালাচ্ছে। বকশীবাজারে ছাত্রলীগ হামলা করে বিএনপি বহু নেতাকে আহত করলেও তাদের নামে কোন মামলা হয়নি। অথচ সে ঘটনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ^র চন্দ্র রায় সহ অনেকের নামে মামলা দিয়েছে।
রাজধানীর শাহজাহানপুরে জিয়াউর রহমান জিয়াদের মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে ফখরুল বলেন, অবৈধ সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ঘটনাটিকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
অথচ আজ স্থানীয় জনগনের সহায়তায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার এ বক্তব্যর আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমেদ আবদুল কাদের, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, জাগপার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম গোলাম. মোস্তফা ভূঁইয়া, কল্যান পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমান, এনডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মঞ্জুর হোসেন ইশা, লেবার পার্টির মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদী,মুসলিম লীগ মহাসচিব আতিকুল ইসলাম, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মুফতি মোঃ ওয়াক্কাস, ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মানিক প্রমুখ
এমএইচ/এসএইচ





