বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাজনীতি না করেও আরাফাত রহমান কোকো যে জনগণের কাছে জনপ্রিয় ছিলো, তার প্রমাণ তার জানাজায় লাখ লাখ লোকের অংশগ্রহণ। এ থেকে প্রমানিত হয় জনগণের আশা-আকাংঙ্খার আখা ভরসাস্থল জিয়া পরিবার।
তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রের জন্য এ দেশের মানুষ অবশ্যই জিয়া পরিবারকে আজীবন সম্মান জানাবে।’
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দলটির বর্তমান চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন।
এ সময় তার সঙ্গে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং সহ প্রচার সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে ‘আরাফাত রহমান কোকো যুব ও ক্রীড়া সংগঠন’ এর উদ্যোগে দুস্থ মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
গত বছরের শুরুতে বিএনপির সরকার বিরোধী আন্দোলন চলাকালে ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন আরাফাত রহমান কোকো। তার বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
গত এক এগারোতে জরুরি অবস্থার সময় গ্রেফতার হওয়া আরাফাত ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নির্বাহী আদেশে মুক্তি পাওয়ার পর চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড গিয়েছিলেন।
পরে সেখান থেকে তিনি মালয়েশিয়া যান। সেখানে তার সঙ্গে স্ত্রী সৈয়দ শর্মিলা রহমান সিঁথি, দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান ছিলেন।
এদিকে কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে ভাসানী ভবনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে বিএনপি। রোববার বাদ আসর এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিএনপির সিনিয়র নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
এমকে





