সরকারের আচরণে হতাশ হয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বক্তব্য দিতে এখন আর ইচ্ছে করে না ।একই কথা বারবার বলতে আর ভালো লাগে না। কি বলবো, কাকে বলবো, কার কাছে বলবো? কোথায় যাবো, কার কাছে যাবো, কোথায় ইনসাফ?
শনিবার দুপুরে এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এ্যাব) আয়োজিত রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনষ্টিটিউটের মিলনায়তনে ‘বর্তমান বিদ্যুৎ পরিস্থিতি:প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এই হতাশা ব্যক্ত করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকারের বিরুদ্ধে ৫ জানুয়ারি নির্বাচন প্রতিহত করতে বিএনপি ৩মাস ধরে গোটা দেশকে অচল করে রেখেছিলো। এর চেয়ে বেশী কি করার ছিলো বিএনপির মত একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের। যখনই এই সরকারের অগণতান্ত্রিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কথা বলা হয় তখন গোটা রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়।
তিনি বলেন, আমার ভাবতে অবাক লাগে এদেশের মানুষ এতো সহনশীল হলো কিভাবে? কারণ এই দেশের জনগণ বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন সংগ্রাম করে তাদের অধিকার ফিরিয়ে এনেছে। দেশের মানুষ এখন দম বন্ধ হওয়া ও অস্বস্তির মধ্যে রয়েছে। তারা বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা হতাশ হয়ে টেলিভিশন আর দেখে না। পত্রিকা পড়াও প্রায় ছেড়ে দিয়েছে।
তিস্তায় লংমার্চ প্রসঙ্গে বলেন, আমরা যখন লংমার্চ নিয়ে তিস্তার উদ্দেশ্যে গিয়েছি তখন দেখলাম ভারত ৩ হাজার কিউসেক পানি ছেড়ে দিয়েছে। আবার পরক্ষণে আবার জানতে পারলাম না। এটা ভারতের নিচু মনের মক্কারি, মশকরা বা তামাশা ছাড়া কিছুই না। আমরা এখন এদের মধ্যে পড়েছি।
তিনি বর্তমান মন্ত্রী সভার সদস্য মতিয়া চৌধুরী ও রাশেদ খান মেনন এবং হাসানুল হক ইনুকে উদ্দেশ্যে করে বলেন ৭১/ ৭২ সালে এই আওয়ামী লীগ আপনাদের সাথে কি করেছে। আপনারা আওয়ামী লীগ ও শেখ মুজিব সর্ম্পককে কি কথা বলেছেন একবারও কি আপনাদের মনে পড়ে না।
সেই আওয়ামী লীগই আজকের আওয়ামী লীগ যারা গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করে সেই সময় বাকশাল কায়েম করে আপনাদের মুখে তালা লাগিয়ে দিয়েছিলো।
সাবেক সচিব প্রকৌশলী আ,ন,হ আখতার হোসেন এর সভাপতিত্বে আরো বক্তৃতা করেন যুব বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ বিভিন্ন প্রকৌশলী নেতৃবৃন্দ।
[b]ঢাকা, এমএইচ, ২৬ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)//এনএস[/b]
রাজনীতি
হতাশ ফখরুল!
সরকারের আচরণে হতাশ হয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বক্তব্য দিতে এখন আর ইচ্ছে করে না ।একই কথা বারবার বলতে আর ভালো লাগে না। কি বলবো, কাকে বলবো, কার কাছে বলবো? কোথায় যাবো, কার কাছে যাবো, কোথায় ইনসাফ?





